নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ছেলে পড়াশোনায় অমনযোগী হয়ে পড়ায় বকাবকি করেছিলেন বাবা। তারপর অভিমানে কীটনাশক খায় ছেলে। মৃত্যু হয় দশম শ্রেণির ওই ছাত্রের। মৃতের নাম চন্দন হালদার (১৫)। ঘটনাটি ঘটেছে গোবরডাঙা থানা এলাকায়।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ছেলে পড়াশোনায় অমনযোগী হয়ে পড়ায় বকাবকি করেছিলেন বাবা। তারপর অভিমানে কীটনাশক খায় ছেলে। মৃত্যু হয় দশম শ্রেণির ওই ছাত্রের। মৃতের নাম চন্দন হালদার (১৫)। ঘটনাটি ঘটেছে গোবরডাঙা থানা এলাকায়।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গোবরডাঙার প্রতাপনগরে গণ দীপায়ন এলাকার বাসিন্দা হালদার পরিবার। চন্দনের বাবার নাম শিমুল হালদার। তিন বছর আগে চন্দনের মা বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। ছেলেকে নিয়ে থাকতেন শিমুলবাবু। চন্দন হাবড়ার হাটথুবা বয়েজ হাই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। শুক্রবার রাতে পড়াশোনা সংক্রান্ত বিষয়ে ছেলেকে বকাবকি করেছিলেন বাবা। তারপর বাড়িতে রাখা কীটনাশক খেয়ে নেয় ছেলে। প্রতিবেশীদের সাহায্যে তাকে উদ্ধার করে হাবড়া স্টেট জেনারেল হাসপতালে নিয়ে যান বাবা। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গভীর রাতে নিয়ে যান আরজি করে। সেখানে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ছেলের মৃত্যু হয়। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ তীর্থঙ্কর দাশগুপ্ত বলেন, ‘মা যেহেতু আত্মহত্যা করেছিলেন সে কারণে হয়তো চন্দনের মানসিকতায় আত্মঘাতী হওয়ার প্রবণতা ছিল। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সহ্য করার ক্ষমতা হয়তো কম ছিল। তাই বাবার সামান্য বকুনিতে আত্মহননের পথ বেছে নেয়।’