Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাট-বাজারকে গভীর নিকাশি নালা দিয়ে জুড়বে চণ্ডীতলা ১ গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতি

হাট-বাজারকে নিকাশি নালা দিয়ে জুড়ে দেওয়ার মাস্টার প্ল্যান তৈরি করেছে হুগলির চণ্ডীতলা এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি

হাট-বাজারকে গভীর নিকাশি নালা দিয়ে জুড়বে চণ্ডীতলা ১ গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতি
  • ২৫ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: হাট-বাজারকে নিকাশি নালা দিয়ে জুড়ে দেওয়ার মাস্টার প্ল্যান তৈরি করেছে হুগলির চণ্ডীতলা এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি। আবর্জনার পরিমাণ নিয়ে সম্প্রতি সমিতি সমীক্ষা করে। তাতে দেখা গিয়েছে, বাজার এলাকায় বাড়ি বা পাড়ার থেকে প্রাত্যহিক জমা আবর্জনা ও নোংরা জলের পরিমাণ বেশি হচ্ছে। তারপর সাফাই ও নিকাশিকে আবর্জনার উৎসের উপর ভিত্তি করে সাজিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেই পরিকল্পনা কার্যকর করতে চণ্ডীতলা এক নম্বর ব্লকের বাজারগুলিকে একাধিক সুগভীর ও চওড়া নিকাশি নালা দিয়ে জুড়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। তবে ব্যয়বহুল এই কাজ এক পর্যায় করা হবে না। সমিতি কর্তাদের দাবি, দফায় দফায় টাকা বরাদ্দ করে কাজ সম্পূর্ণ করা হবে।

Advertisement

পাশাপাশি মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণের জন্য জেলা পরিষদের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছে পঞ্চায়েত সমিতি। সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিষদের তরফে প্রাথমিক সম্মতিও মিলেছে। তাতে জেলা পরিষদের নিজস্ব নিকাশি ব্যবস্থাকে পঞ্চায়েত সমিতির পরিকল্পনা অনুসারে সাজিয়ে একটি একত্রিত প্রকল্পের রূপ দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে। চণ্ডীতলা এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মলয় খাঁ বলেন, জেলা পরিষদের আর্থিক সাহায্য পেলে দ্রুত সমস্ত মাস্টার প্ল্যান কার্যকরী করা যাবে। তাতে বাজার এলাকাগুলিতে সুসংহত সাফাই ও নিকাশি ব্যবস্থা তৈরি হবে। যা ব্লকের সার্বিক নিকাশি ব্যবস্থাকে বহু গুণ উন্নত করবে। বাজার এলাকাগুলিতে প্রচুর আবর্জনা মজুত হয়। সেখানে গভীর নিকাশি নালার বেশি প্রয়োজন হয়। অতীতে নিকাশি নালা ছিল। কিন্তু প্রয়োজনের ভিত্তিতে সেগুলির আদল বদলানোর প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সেই সব কাজ করতেই মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি তথা হুগলি জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায় বলেন, উন্নয়নের লক্ষ্যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান একত্র হয়ে কাজ করলে তার থেকে ভালো আর কিছু হয় না। বিশেষ করে নিকাশি ও সাফাই আধুনিক সময়ের একটি বড় সমস্যা। সেই সমস্যা মেটাতে মাস্টার প্ল্যান খুবই কার্যকরী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।
পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্বে ভগবতীপুর, আঁইয়া, কৃষ্ণরামপুর, মশাট, কুমিরমোড়ে নিকাশি নালা তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে মশাট প্রকল্পে সরাসরি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে জেলা পরিষদ। সেখানে ২০ লক্ষ টাকায় একটি নিকাশি নালা তৈরি করা হচ্ছে। ২৬ নম্বর রুটের পাশে একটি সুদীর্ঘ গভীর নালার কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাজারকে জুড়ে দিয়ে ওই নালা তৈরি হবে। যা এলাকার কিছু দূরের একটি খালে গিয়ে পড়বে। পূর্বে ওই এলাকায় নালা থাকলেও তাতে বাজারের সংযোগ যেমন ছিল না তেমনই নালা ছিল অগভীর। মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে সেই নিকাশি ব্যবস্থাই ঢেলে সাজানো হচ্ছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ