Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোটের কাজে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় সিইও’র দপ্তর

ভোটের কাজে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (ডিইও) নিয়োগ ঘিরে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ নিয়ে সোমবার দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন।

ভোটের কাজে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় সিইও’র দপ্তর
  • ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোটের কাজে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (ডিইও) নিয়োগ ঘিরে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ নিয়ে সোমবার দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন। ঘটনার সূত্রপাত একটি টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে। গত সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দপ্তর ভোটের কাজের জন্য ১ হাজার ডিইও সরবারহ করতে টেন্ডার ডাকে। বেসরকারি এজেন্সি বাছতেই এই টেন্ডার প্রক্রিয়া করা হয়েছিল। অথচ গত ২১ নভেম্বর সিইও দপ্তর রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে একটি নির্দেশিকা পাঠায়। সেখানে সাফ বলা হয়, স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনের (এসআইআর) কাজের জন্য চুক্তিভিত্তিক ডিইও কিংবা বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের (বিএসকে) কর্মীদের নেওয়া যাবে না। যদি নেওয়া হয়, শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

Advertisement

যা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন চিঠিতে মমতা প্রশ্ন তুলেছেন, জেলা প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত ডিইও থাকাকালীন সিইও দপ্তর কোন প্রয়োজনে এক বছরের চুক্তিতে এই নিয়োগ করছে? প্রথাগতভাবে স্থানীয় অফিসগুলি চাহিদার ভিত্তিতে ডিইও নিয়োগ করে। এক্ষেত্রে খুব প্রয়োজন পড়লে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের ডিইও নিয়োগের সর্বাত্মক ক্ষমতা রয়েছে। এখানেই তৃণমূল সুপ্রিমোর প্রশ্ন, তবে কেন সিইও অফিস এই দায়িত্ব নিজেরা পালন করতে চাইছে? তবে কী কোনও রাজনৈতিক দলের কায়েমি স্বার্থ চরিতার্থ করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন? জবাব চেয়েছেন মমতা। এ প্রসঙ্গে সিইও মনোজ আগরওয়াল এদিন জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ লিখিত আকারে জেলাগুলিতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, বেসরকারি হাউজিং কমপ্লেক্সে ভোট কেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ভোটদানে বাধাপ্রাপ্ত হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মমতা। যার প্রেক্ষিতে সিইও’র দাবি, গোটাটাই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ারভুক্ত। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন সদন নেবে।      

সম্পর্কিত সংবাদ