Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গ্রামের কৃষি সমবায়তেও রেশন দোকান চায় কেন্দ্র

গ্রামের প্রাথমিক কৃষি সমবায় সংস্থাগুলি (প্যাকস) রেশন দোকান হিসেবে কাজ করুক। চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যের খাদ্যদপ্তরের কাছে এই ব্যাপারে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে।

গ্রামের কৃষি সমবায়তেও রেশন দোকান চায় কেন্দ্র
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:০৯
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গ্রামের প্রাথমিক কৃষি সমবায় সংস্থাগুলি (প্যাকস) রেশন দোকান হিসেবে কাজ করুক। চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যের খাদ্যদপ্তরের কাছে এই ব্যাপারে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। গত ২৫ আগস্ট কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রক থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও কয়েকটি রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়। তার দিনতিনেকের মধ্যে খাদ্যদপ্তরের তরফে রেশন অধিকর্তাকে কেন্দ্রীয় সরকারের এই ইচ্ছার কথা লিখিতভাবে জানানো হয়। যত তাড়াতাডি সম্ভব প্রাথমিক সমবায় সংস্থাগুলির গুদাম নিয়ে তাঁকে বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। কোনও সমবায় সংস্থার গুদাম আগে থেকে রেশন দোকান হিসেবে কাজ করে কি না সেটাও জানাতে বলা হয়েছে। রাজ্যে কিছু রেশন দোকান আছে যেগুলি সমবায় সংস্থা পরিচালিত। বহুবছর ধরে ওই দোকানগুলি সমবায় সংস্থা পরিচালনা করছে। তাই গ্রামে কৃষি সমবায় সংস্থার গুদাম থেকে রেশন দোকান ইতিমধ্যে চলে কি না সেটা জানতে চাইছে খাদ্যদপ্তর। সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারকে সেই তথ্য জানানো হবে। 

Advertisement

রাজ্যে সরকারি হিসেবে, সাড়ে সাত হাজারের মতো ‘প্যাকস’ আছে। তবে সক্রিয় প্যাকসের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ হাজারের মতো। গ্রামের কৃষি সমবায় সংস্থাগুলির মূল কাজ হল চাষবাসের জন্য কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণপ্রদান এবং বীজ, সার-সহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ ন্যায্য দামে তাঁদের কাছে বিক্রি করা। সরকারের হয়ে চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার কাজও করে এই সমবায় সংস্থাগুলি। কৃষি সমবায় সংস্থাগুলিকে গ্রামীণ ব্যাংকের মতো চালানোর জন্য উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারও কৃষি সমবায় সংস্থাগুলিকে জনস্বার্থ সংক্রান্ত আরও বিভিন্ন রকম কাজে যুক্ত করতে চাইছে। রেশন দোকান চালানো তার মধ্যে অন্যতম। বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষিউপকরণ মজুত রাখার জন্য প্যাকসগুলির নিজস্ব গুদাম থাকে। এখানে গুদামসহ রেশন দোকান চালু করে সমবায় ক্ষেত্রে বড় ধরনের খাদ্য মজুতের ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে চাইছে কেন্দ্র। রেশন সহ বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য যে খাদ্যশস্য প্রয়োজন হয় তা মজুত রাখা কেন্দ্র ও রাজ্যের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
নতুন রেশন ডিলারশিপ নিতে গেলে গুদাম থাকতে হয়। সমবায় সংস্থাগুলিতে রেশন দোকান খুললে গুদাম সহজেই পাওয়া যাবে। তবে রাজ্যে এখন ২০ হাজার রেশন দোকান আছে। ডিলারদের সর্বভারতীয় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর  বসু জানান, রেশন দোকান চালানো আর লাভজনক পেশা নয়। অতিরিক্ত রেশন দোকান খোলা হলে ডিলারদের আয় আরও কমবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ