নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বাস্তবে জীবিত। অথচ কমিশনের তালিকায় মৃত বলে দেখানো কয়েকজনকে কি হাজির করতে পারবেন? তাহলে আমরা কমিশনের গাফিলতি হাতেনাতে ধরব। বিহারের এসআইআর মামলায় মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। বাড়তি উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিল এসআইআরের বিরোধিতা করা আবেদনকারীদের। যা শুনে আবেদনকারীদের অন্যতম আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, আগামী ১ আগস্ট যে খসড়া তালিকা কমিশন প্রকাশ করবে, সেখানে যেন উল্লেখ থাকে কারা মৃত? কারা রাজ্য থেকে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। তা নাহলে ধরা মুশকিল হবে।
এদিন ফের নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করল বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। শীর্ষ আদালতের পরামর্শ সত্ত্বেও আধার, ভোটার বা রেশন কার্ডের কোনওটিই প্রমাণের নথি হিসেবে গ্রাহ্য করেনি নির্বাচন কমিশন। তাই থামেনি মামলায় বিতর্ক। এদিন আদালত জানিয়ে দেয়, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আইন মেনেই তাঁদের চলতে হবে। তাই কমিশনের কাজে কোথাও বিচ্যুতি দেখলেই আদালত হস্তক্ষেপ করবে। যদি দেখা যায় নজিরবিহীন নাম বাদ যাচ্ছে, তাহলে আদালত চুপ করে বসে থাকবে না। আগামী ১২ আগস্ট মামলার বিস্তারিত শুনানি হবে।
এরই মধ্যে, বিহারের স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন ইস্যুতে মঙ্গলবার সংসদ উত্তাল করল তৃণমূল। সকালে বৃষ্টি উপেক্ষা করে সংসদ ভবনের মকর দ্বারের সামনে পোস্টার হাতে প্রতিবাদে শামিল হন ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, নাদিমুল হক, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো জোড়াফুলের সাংসদরা। সংসদের অন্দরেও জারি থাকে প্রতিবাদ। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না সরকার সংসদে এসআইআর ইস্যুতে আলোচনায় রাজি হবে, ততদিন চলবে প্রতিবাদ।
এদিন মালা রায়ের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানান, ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিতে (এনআইএ) ১ হাজার ৯০১টি পদ থাকলেও ৫৪১টি খালি। এনআইএ এখনও পর্যন্ত ৬৭৭টি মামলার তদন্ত করছে। গত তিন বছরে ৭৮টি মামলায় সাজা হয়েছে।