Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঈদে এলাকা পরিষ্কার ও আলোকিত রাখার আহ্বান, ১৮টি মসজিদ কমিটিকে আর্থিক সাহায্য‌

ঈদে এলাকা পরিষ্কার ও আলোকিত রাখার আহ্বান, ১৮টি মসজিদ কমিটিকে আর্থিক সাহায্য‌
  • ২৮ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: ঈদের সময় এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ও আলোকিত করার জন্য এবার শহরের মসজিদ কমিটিগুলিকেও আহ্বান জানাল কান্দি পুরসভা। বৃহস্পতিবার কান্দি পুরসভার পক্ষ থেকে শহরের ১৮টি মসজিদ কমিটিকে এগিয়ে আসার জন্য উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতাও করা হল। প্রত্যেক কমিটির হাতে ১০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

এদিন কান্দি পুরসভা ভবনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন মসজিদ কমিটির সদস্য, ইমাম ও মোয়াজ্জিনরা উপস্থিত ছিলেন। হাজির ছিলেন কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার, পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক সহ কাউন্সিলাররা। অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, ঈদের দিন শহরে ব্যাপক জমায়েত হয়। বাইরে থেকেও হাজার হাজার বাসিন্দা শহরে আসেন। তাই উৎসবের দিন যাতে কেউ সমস্যায় না পড়েন তারজন্য সর্তক রয়েছে পুরসভা। বিশেষ করে শহর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার সঙ্গে পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা ও এলাকা আলোকিত রাখতে পুরসভা বদ্ধপরিকর।
কান্দি পুরসভা সূত্রে জানানো হয়েছে, সাফাইকর্মীরা সারা বছর শহর পরিষ্কার রাখার জন্য সচেষ্ট থাকেন। এমনকী শহরে নৈশ সাফাই অভিযানও চলে। কার্যত প্রতিদিন এলাকায় ব্লিচিং, চুন ছড়িয়ে দূষণমুক্ত করা হয়। প্রতিটি উৎসবে পুরসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় মেডিক্যাল টিম সহ স্বেচ্ছাসেবক রাখা হয়। পুরসভায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। যেখানে কেউ সমস্যায় পড়লে ফোন করে সমাধান পেয়ে থাকেন। শহরের প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়। ঈদের দিনও পুরসভার পক্ষ থেকে সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেউ বিপদে পড়লেই কন্ট্রোল রুমে ফোন করে সাহায্য পেতে পারেন। কন্ট্রোল রুমের নম্বর শহরের অলিগলিতে সাঁটিয়ে দেওয়া হবে।
এদিন শহরের মসজিদ কমিটিগুলিকেও এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য উৎসাহ দেওয়া হল। ১৮টি মসজিদ কমিটিকে ১০হাজার টাকা করে চেক বিলি করা হল। ওই টাকায় কমিটিগুলি ঈদের সময় নিজেদের এলাকা পরিষ্কার রাখা ও এলাকা আলোকিত করবে। পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক বলেন, আমরা দুর্গাপুজোয় পুজো কমিটিগুলিকে উৎসাহ দিতে আর্থিক সাহায্য করে থাকি। তেমনই ‌ঈদেও মসজিদ কমিটিগুলিকে সহযোগিতা করেছি। আমাদের উদ্দেশ্য উৎসব হোক সবার। বিধায়ক অপূর্ববাবু জানান, এই শহরে প্রতিটি উৎসব উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে পালন করেন। দুর্গাপুজোয় যেমন উভয় সম্প্রদায়ের মিলনক্ষেত্র তৈরি হয়। তেমনই ঈদেও একসঙ্গে মেতে ওঠেন সকলে। শহরের একটি মসজিদ কমিটির ইমাম আব্দুল রহমান নুর বলেন, পুরসভার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ