Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সোনামুখীতে যানজট এড়াতে বাইপাস, রামপুরে শালি নদীতে সেতুর পরিকল্পনা বিজয়ী দিবাকরের

সোনামুখীতে যানজট এড়াতে বাইপাস, রামপুরে শালি নদীতে সেতু, সোনামুখী ও পাত্রসায়র হাসপাতালের উন্নয়ন সহ একাধিক প্রকল্প তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বিধায়ক দিবাকর ঘরামির।

সোনামুখীতে যানজট এড়াতে বাইপাস, রামপুরে শালি নদীতে সেতুর পরিকল্পনা বিজয়ী দিবাকরের
  • ৭ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সোনামুখীতে যানজট এড়াতে বাইপাস, রামপুরে শালি নদীতে সেতু, সোনামুখী ও পাত্রসায়র হাসপাতালের উন্নয়ন সহ একাধিক প্রকল্প তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বিধায়ক দিবাকর ঘরামির। তিনি জানান, সোনামুখী শহরের যানজটের সমস্যা দীর্ঘদিনের। সোনামুখী ও পাত্রসায়র হাসপাতালের বেহাল অবস্থা। প্রায় দু’বছর ধরে রামপুরে শালি নদীতে সেতু ভেঙে পড়ে রয়েছে। আমি এনিয়ে বারবার বিধানসভায় প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার কোনো গুরুত্ব দেয়নি। এবার আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকার হচ্ছে। সোনামুখী শহর সহ গোটা বিধানসভা এলাকায় বহু উন্নয়ন করতে হবে। তার জন্য আমরা সর্বদা চেষ্টা করব। 

Advertisement

দিবাকরবাবু বলেন, সোনামুখী এলাকায় বুনো হাতির হানায় ফসলের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। হাতির হানায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। কিন্তু, চাষিরা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পান না। তা যাতে বৃদ্ধি করা হয় এবং দ্রুততার সঙ্গে মেটানো হয়, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেব। সোনামুখীর উত্তর অংশে দামোদরের এখন অনেক অংশ বন্যায় প্লাবিত হয়। সেখানে যাতে বাঁধ দেওয়া যায়, সে ব্যাপারেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এসব সমস্যার সমাধানের জন্য আমি গত পাঁচ বছর ধরে বিধানসভায় বলে বলে হয়রান হয়ে গিয়েছি। সেকথা আমি সোনামুখীর মানুষকে বারেবারে জানিয়েওছি। ডবল ইঞ্জিন সরকার হলে তা পূরণের চেষ্টার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। মানুষ আশীর্বাদ করেছে। আগামী দিনে ধাপে ধাপে সব সমস্যার সমাধান হবে।
তিনি এও বলেন, সোনামুখী গ্রামীণ হাসপাতাল এবং পাত্রসায়র ব্লক হাসপাতালের দৈন্যদশার পরিবর্তন আনতে হবে। সামান্য বাড়াবাড়ি হলেই রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতাল অথবা বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের নিয়ে যেতে হয়। তাই দুই হাসপাতালের পরিকাঠামোর উন্নয়ন থেকে শুরু করে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা বাড়াতে হবে। আমাদের নতুন সরকার স্বচ্ছভাবে নিয়োগ করবে। তাই কর্মীর অভাব হবে না। রামপুরে শালি নদীর সেতু প্রায় দু’বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। এলাকায় হাজার হাজার মানুষ যাতায়াতের সমস্যায় ভুগছেন। ওই সেতুর পুনর্নির্মাণ করা প্রয়োজন। শুধু তাই নয়, আমার বিধানসভা এলাকায় এখনো বহু রাস্তা কাঁচা রয়েছে। তা পাকা করতে হবে। বেহাল রাস্তা সংস্কার করতে হবে। সব মিলিয়ে নরেন্দ্র মোদির বিকশিত ভারতের অংশ হিসাবে আমাদের সোনামুখীতেও উন্নয়নের বিকাশ হবে। 
প্রসঙ্গত, সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামি ২০২১ সালে বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে নির্বাচিত হন। এবারও তিনি দ্বিতীয়বারের জন্য বিধায়ক হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, গত পাঁচবছরে আমার এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকা ১০০ শতাংশ খরচ করেছি। কিন্তু, যেসব সমস্যার সমাধানের জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন, তা করতে গেলে রাজ্য সরকারের অনুমোদনের প্রয়োজন। এতদিন বিরোধী দলের বিধায়ক হওয়ায় আমার কথার গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এবার বাইপাস, সেতু, হাসপাতাল, রাস্তা সহ সব উন্নয়নমূলক কাজ হবে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ