Bartaman Logo
৩০ মে, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

নয়া অভিবাসন নীতি ব্রিটেনের, নাগরিকত্ব প্রদানের নিয়মও বদলাচ্ছেন স্টারমার

আমেরিকার পর ব্রিটেন। অবৈধ অভিবাসীদের জন্য কড়া পদক্ষেপ নিল ব্রিটিশ সরকার। সোমবার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে কঠোর অভিবাসন নীতির ঘোষণা করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার।

নয়া অভিবাসন নীতি ব্রিটেনের, নাগরিকত্ব প্রদানের নিয়মও বদলাচ্ছেন স্টারমার
  • ১৪ মে, ২০২৫ ০৪:০০

লন্ডন: আমেরিকার পর ব্রিটেন। অবৈধ অভিবাসীদের জন্য কড়া পদক্ষেপ নিল ব্রিটিশ সরকার। সোমবার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে কঠোর অভিবাসন নীতির ঘোষণা করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। এমনকী ভিসা প্রদানের নিয়মেও কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। ব্রিটেনে নাগরিকত্ব অর্জনের পদ্ধতিতেও বদল আনা হচ্ছে বলে  জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। পার্লামেন্টে অভিবাসন নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, শরণার্থীদের প্রবেশের ক্ষেত্রেও বাছাই করা সম্ভব হবে। আমরাই ঠিক করতে পারব, কারা এদেশে আসবেন, থাকবেন আর কারা আসবেন না।’ তিনি আরও বলেন, ‘কর্ম, শিক্ষা এবং সপরিবারে বসবাস- সব ক্ষেত্রেই অভিবাসন আইন আরও কড়া হবে। সবটা আমরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখব। এতদিন যা হচ্ছিল, তার তুলনায় রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসী ও শরণার্থীর সংখ্যা কমাতে হবে। সেই লক্ষ্যেই আমাদের নীতি আরও কড়া হচ্ছে।’ বর্তমান ব্রিটেনের সরকারের নতুন নীতির ফলে চাপে পড়বেন সেদেশে কাজ করতে যাওয়া বিদেশিরা। ব্রিটেনের কোনও কোম্পানিতে বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ করলে এখন থেকে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে। বর্তমানে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় কোম্পানিগুলিকে প্রথম বছরে ১ হাজার পাউন্ড দিতে হয়। ছোট কোম্পানির ক্ষেত্রে অঙ্কটা ৩৬৪ পাউন্ড। তবে নতুন নিয়ম কার্যকর হলে ৩২ শতাংশ বেশি টাকা দিতে হবে। কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে যাওয়া পড়ুয়াদেরও ভর্তির খরচ বাড়বে। নাগরিকত্ব প্রদানের ক্ষেত্রেও কড়া অবস্থান নিয়েছে স্টারমার প্রশাসন। নতুন নীতি অনুযায়ী, এখন থেকে পাঁচ বছর নয়,  ব্রিটেনে কাজের জন্য আসা বিদেশিরা ১০ বছর থাকলে তবেই নাগরিকত্ব ও স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। তবে সামাজিক, অর্থনৈতিক উন্নতির ক্ষেত্রে অবদানের প্রমাণ দিলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আবেদন জানানো যাবে। প্রাপ্তবয়স্ক ও কর্মীদের ব্রিটেনের ভিসা পেতে গেলে এবার থেকে ইংরেজি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।  অর্থাৎ ব্রিটিশদেরই এবার থেকে অগ্রাধিকার দেবে স্টারমার সরকার। ঠিক যে নীতিতে মার্কিন প্রশাসন চলছে। সেই পথেই হাঁটতে চাইছে ব্রিটেনের বর্তমান সরকার।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ