Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

লাল-হলুদ-সবুজ উজ্জ্বল আলো, গ্রামে বাঘ ঢোকা আটকাতে অভিনব ব্যবস্থা

শীত পড়লে জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে বেরিয়ে আসে বাঘ। ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই ঘটনা ঘনঘন ঘটেছে। গ্রাম লাগোয়া জঙ্গলে জাল লাগিয়ে বাঘের অনুপ্রবেশ আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তবুও ফাঁকফোকর গলে এদিক সেদিক দিয়ে গ্রামের কাছে চলে আসে বাঘ।

লাল-হলুদ-সবুজ উজ্জ্বল আলো, গ্রামে বাঘ ঢোকা আটকাতে অভিনব ব্যবস্থা
  • ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, বারুইপুর: শীত পড়লে জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে বেরিয়ে আসে বাঘ। ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই ঘটনা ঘনঘন ঘটেছে। গ্রাম লাগোয়া জঙ্গলে জাল লাগিয়ে বাঘের অনুপ্রবেশ আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তবুও ফাঁকফোকর গলে এদিক সেদিক দিয়ে গ্রামের কাছে চলে আসে বাঘ।  ২০২৪ সালের শুরুতে পাথরপ্রতিমায় ঠাকুরাণ এক ও দু’নম্বর জঙ্গলে পরীক্ষামূলকভাবে সেন্সরযুক্ত এক বিশেষ ধরনের আলো লাগানো হয়েছিল। নদীতে যেমন বয়ার মাথায় লাল আলো দপদপ করে, সূর্যাস্তের পর এটিও সেরকম স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতেই জ্বলে। বনবিভাগের দাবি, এরপর বাঘ বেরনোর প্রবণতা কমেছে পাথরপ্রতিমার উপেন্দ্রনগর সহ আশপাশের কিছু গ্রামে। এবার এই আলো লাগানো হচ্ছে কুলতলির গ্রাম লাগোয়া জঙ্গলে। লক্ষ্য, বাঘকে জঙ্গলের মধ্যে আটকে রাখা। জালের গায়ে ও গাছের ডালে সেন্সর যুক্ত ৩০০ আলো লাগানোর পরিকল্পনা হয়েছে। সে কাজ শুরুও হয়েছে। জঙ্গলে অন্ধকার নামার পর লাল, হলুদ, সবুজ প্রভৃতি রঙের আলো জ্বলবে। জানা গিয়েছে, আজমলমারি ১১ নম্বর কম্পার্টমেন্টের একাংশে এই আলো লাগানো হবে। নগেনাবাদ ও দেউলবাড়ি গ্রাম এই জঙ্গল লাগোয়া। এই দু’টি জায়গায় আগে একাধিকবার বাঘ বেরিয়ে এসেছিল। বনবিভাগের কর্তারা বলেন, আলোর উজ্জ্বলতার কারণে বাঘ জঙ্গল থেকে লোকালয়ে আসার সাহস দেখাবে না। এই পরিকল্পনার সফল হলে অন্যান্য জায়গাতেও আলো লাগানো হবে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ