Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বোল্ড আউট বিজেপি, ‘বাঘিনি’ মমতার ঐতিহাসিক লড়াইকে সামনে রেখে বাংলায় ভোট প্রচারে তৃণমূল

কেউ তকমা দিয়েছেন বাঘিনি। কেউ বলছেন জননেত্রী। আবার কারো কণ্ঠে জনগণমন অধিনায়িকা। বাংলার মানুষের স্বার্থে দেশের রাজধানীর বুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই দেখে উজ্জীবিত গোটা তৃণমূল পরিবার।

বোল্ড আউট বিজেপি, ‘বাঘিনি’ মমতার ঐতিহাসিক  লড়াইকে সামনে রেখে বাংলায় ভোট প্রচারে তৃণমূল
  • ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেউ তকমা দিয়েছেন বাঘিনি। কেউ বলছেন জননেত্রী। আবার কারো কণ্ঠে জনগণমন অধিনায়িকা। বাংলার মানুষের স্বার্থে দেশের রাজধানীর বুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই দেখে উজ্জীবিত গোটা তৃণমূল পরিবার। ভোটবাংলায় মমতার এই লড়াইকে হাতিয়ার করেই প্রচারযুদ্ধে ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল ব্রিগেড। আরো একটু স্পষ্ট করে বললে, বুধবার দুপুরের পর জনপথ থেকে সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে শুধু মমতার সংগ্রামের কাহিনি। তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতৃত্বের একটাই আওয়াজ, মমতার লড়াইয়ে ‘বোল্ড আউট’ বিজেপি। এসআইআর প্রক্রিয়ায় আম জনতার হয়রানি ও সমস্যার বাস্তব চিত্রটা দেশের শীর্ষ আদালতের সামনে তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সুপ্রিম কোর্ট অত্যন্ত মানবিক বলেই মমতার বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে শুনে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।

Advertisement

এর আগে বাংলার কোনো মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টে দাঁড়িয়ে সওয়াল করেছেন, এমন নজির নেই। স্বাভাবিকভাবেই বাংলার মানুষের জন্য মমতার সুপ্রিম কোর্টে পা রাখার দৃষ্টান্তকে ঐতিহাসিক বলে দাবি করেছে তৃণমূল। আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের প্রচার কর্মসূচিতে থাকবে মমতার সুপ্রিম লড়াইয়ের কাহিনি। মাধ্যমিক পরীক্ষা মিটলেই বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঝাঁজ বাড়াবে তৃণমূল। বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এসআইআর চক্রান্তের অভিযোগ তুলে মিছিল ও সভা করবে শাসক দল। সেখানে ব্যাপক মাত্রায় তুলে ধরা হবে মমতার দিল্লি লড়াইয়ের গোটা পর্ব। তার আগে এটাও দেখা গিয়েছে, কলকাতার ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরোয়াভাবে এক অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টে মমতার সওয়ালের ভিডিয়ো বড়ো পর্দায় দেখানো হয়। সেখানে হাজির ছিলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কাউন্সিলার সুদর্শনা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।

ওইসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় দিনভর প্রচার চালিয়েছে তৃণমূল। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবে মমতার সুপ্রিম কোর্টের ঘটনাকে তুলে ধরা হয়। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, নাগরিকদের অধিকারের লড়াইয়ে বাংলার মেয়ের সাহস ও বীরত্ব দেখল গোটা দেশ। তাঁর লড়াইকে কুর্নিশ। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ইতিহাসের পাতায় ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বিজেপির বঙ্গ-বিরোধী চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনায় বিধানসভা নির্বাচনের আগেই হেরে গিয়েছে বিজেপি। পাশপাশি তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিকরা বলেছেন, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার যে চক্রান্ত নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি করছে, তার বিরুদ্ধে মমতার লড়াই গোটা দেশেই নজির স্থাপন করেছে। গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে মমতার লড়াই তৈরি করেছে নয়া ইতিহাস। মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, দম আছে মমতার। নির্বাচন কমিশন-বিজেপির অশুভ আঁতাঁত ভেঙে দিয়ে মমতাই বাঘিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ