Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সংস্কারের জন্য পাঁচ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে বিষ্ণুপুরের ষাঁড়েশ্বর মন্দির

সংস্কারের জন্য পাঁচ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে বিষ্ণুপুরের ষাঁড়েশ্বর মন্দির
  • ১৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: প্রায় পাঁচ বছর ধরে সংস্কার কাজ চলছে। তাই বিষ্ণুপুরের ডিহরে ঐতিহাসিক ষাঁড়েশ্বর মন্দিরে সাধারণের প্রবেশ বন্ধ। এদিকে আর ক’দিন বাদেই গাজন। হাজার হাজার ভক্তের ঢল নামবে ডিহরে। তাই এবারে বাবা ষাঁড়েশ্বরের দর্শন পেতে ভক্তরা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানান। সেই মতো রবিবার বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ, বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা পরিদর্শনে যান। বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ বলেন, বিষ্ণুপুরের অন্যতম জাগ্রত ষাঁড়েশ্বর মন্দির। ভক্তদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া ধীরগতিতে সংস্কারের কাজ চালাচ্ছে। চার বছরেও তা সম্পূর্ণ করতে পারেনি। তাই ভক্তদের আবেগের কথা মাথায় রেখে গাজনের সময়ে বাবা ষাঁড়েশ্বরকে যাতে ভক্তরা দর্শন করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করা হবে। সেজন্য এদিন মন্দির পরিদর্শন করা হয়েছে। অর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার বিষ্ণুপুর সাইটের কনজারভেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট সন্দীপ সিংহ বলেন, ষাঁড়েশ্বর মন্দিরের সংস্কার কাজ এখনও সম্পূর্ণ  হয়নি। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেব দর্শনের ব্যবস্থার জন্য আমাদের জানালে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। 

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুর ডিহর গ্রামে ঐতিহাসিক ষাঁড়েশ্বর মন্দিরটি অর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার অধীনে রয়েছে। বাংলা ১৩৪৬ সালে বিষ্ণুপুরের ৩৭তম রাজা পৃত্থী মল্ল ডিহর গ্রামে ল্যাটেরাইট পাথর দিয়ে ষাঁড়েশ্বর মন্দির তৈরি করেন। লাগোয়া কানা নদীর জলের তোড়ে মন্দিরের গোড়ার অংশ ক্ষয়ে যায়। তাতে মন্দিরে ফাটল ধরে। পরবর্তীকালে ভূমিকম্পের জেরে সেই ফাটল বাড়ে। তারপর থেকেই মন্দির সংস্কারের দাবি জোরালো হয়। ২০২০ সালে অর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া সংস্কারের কাজে হাত দেয়। ওড়িশা থেকে কারিগর আনা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে কোনও অজানা কারণে তা থমকে যায়। ২০২১ সালে পুনরায় কাজ আরম্ভ হয়। পুরনো পাথর খুলে তা পালিশ করে নতুন করে লাগানো হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ