নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: দীর্ঘ দশ বছর পর কো-অপারেটিভ সোসাইটির নির্বাচন ঘিরে সরগরম উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১১মার্চ সংশ্লিষ্ট সোসাইটির নির্বাচন। এজন্য সোমবার মনোনয়পত্র দাখিল পর্ব মেটে। ১৫টি আসনের জন্য মনোনয়পত্র দাখিল করেছেন প্রায় ৪৫ জন প্রার্থী। মঙ্গলবার স্কুটিনির পর এমন তথ্য জানা গিয়েছে। এবারই প্রথম এখানে লড়াই করছে তৃণমূল কংগ্রেস প্রভাবিত অফিসার, শিক্ষক ও কর্মীরা। তাদের সঙ্গে লড়াই সিপিএম ও বিজেপি প্রভাবিত সংগঠনের। সমগ্র পরিস্থিতি নিয়ে এলাকার পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী।
Advertisement
শিলিগুড়ির কো-অপারেটিভ সোসাইটিগুলির মধ্যে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সোসাইটি অন্যতম। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার, শিক্ষক ও স্থায়ী কর্মীরা সংশ্লিষ্ট কো-অপারেটিভ সোসাইটির সদস্য। স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০১৫সালে সংশ্লিষ্ট সোসাইটির শেষ নির্বাচন হয়। ১৫জনের নির্বাচিত পরিচালন বোর্ড গঠিত হয়। ২০২০সালে ওই বোর্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও আর ভোট হয়নি। ওই বোর্ডের সদস্যরা ‘কেয়ারটেকার’ হিসেবে সমিতি পরিচালনা করছিলেন।
দীর্ঘদিন ধরেই সংশ্লিষ্ট সোসাইটির নির্বাচনের দাবি করছিলেন সদস্যরা। অবশেষে এবার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কো-অপারেটিভ নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এখানে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩৫৯জন। সুষ্ঠুমতো মনোনয়নপত্র দাখিল পর্ব মিটেছে। প্রায় ৪৫জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের দার্জিলিং জেলা সভানেত্রী(সমতল) পাপিয়া ঘোষ বলেন, এবারই সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমাদের হয়ে ভোটে পাঁচজন শিক্ষক, দু’জন অফিসার এবং আটজন কর্মচারী লড়াই করছেন। সিপিএম ও বিজেপি মনভাবাপন্নরা একজোট হলেও এবার সংশ্লিষ্ট সমিতি তৃণমূলের হাতে আসবে বলেই আশা করছি।
দীর্ঘদিন ধরেই সংশ্লিষ্ট সোসাইটির নির্বাচনের দাবি করছিলেন সদস্যরা। অবশেষে এবার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কো-অপারেটিভ নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এখানে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩৫৯জন। সুষ্ঠুমতো মনোনয়নপত্র দাখিল পর্ব মিটেছে। প্রায় ৪৫জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের দার্জিলিং জেলা সভানেত্রী(সমতল) পাপিয়া ঘোষ বলেন, এবারই সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমাদের হয়ে ভোটে পাঁচজন শিক্ষক, দু’জন অফিসার এবং আটজন কর্মচারী লড়াই করছেন। সিপিএম ও বিজেপি মনভাবাপন্নরা একজোট হলেও এবার সংশ্লিষ্ট সমিতি তৃণমূলের হাতে আসবে বলেই আশা করছি।



