সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: কারা পরিচালনা করবে, তা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গত তিন বছর ধরে বন্ধ ছিল প্রায় ৩০০ বছরে প্রাচীন বেড়োর খেলাইচণ্ডী মেলা। আইন, শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় প্রশাসন কোনও কমিটিকে মেলা করার অনুমতি দেয়নি। তবে এবার জট কেটেছে। আগামিকাল, বুধবার ১৫ জানুয়ারি থেকে আটদিনের এই মেলা শুরু হচ্ছে। ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত মেলা চলবে। দীর্ঘদিন পর মেলা শুরু হওয়ার খবরে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কোভিডের কারণে ২০২২ সালে মেলা বসেনি। তারপরে মেলার আয়োজন নিয়ে তিনটি কমিটি প্রশাসনের কাছে আবেদন করে। ফলে কোন কমিটি মেলা পরিচালনা করবে, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে প্রশাসন কোনও কমিটিকে মেলা করার অনুমতি দেয়নি। যার জন্য ২০২৩, ’২৪ সালে মেলা বন্ধ থাকে।
Advertisement
এবছরও মেলা নিয়ে তিনটি কমিটি প্রশাসনের কাছে আবেদন করে। রঘুনাথপুর মহকুমা প্রশাসন তিনটি কমিটিকে নিয়ে সম্প্রতি মহকুমা দপ্তরে বৈঠক করেন। সেখানে তিনটি কমিটিকে একত্রে মেলা পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই প্রস্তাবে ‘খেলাই চণ্ডী মাতা ঠাকুরানি’ মেলা কমিটি রাজি হয়। কিন্তু, বাকি দু’টি কমিটি প্রস্তাবে রাজি হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে যেহেতু এই মেলা মাতা ঠাকুরানি কমিটি পরিচালনা করে আসছিল, তাই তাদেরই মেলা পরিচালনার দায়িত্ব দেয় প্রশাসন। মহকুমা শাসক বিবেক পঙ্কজ বলেন, সব দিক খতিয়ে দেখে মাতা ঠাকুরানি কমিটিকে মেলা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেলায় প্রায় চার একরের বেশি জমিতে ছোট বড় মিলে ৫০০-র বেশি দোকান বসে। এরাজ্য ছাড়াও পাশের রাজ্য বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ুর মানুষ ভিড় করেন। অন্যান্য বছরের মতো এবারও দোকান বসছে। মেলার আট দিনে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে কমিটির তরফে জানানো হয়েছে।
মাতা ঠাকুরানি কমিটির সভাপতি তথা চণ্ডী মন্দিরের সেবাইত দুয়ারকানাথ আচার্য বলেন, সকলকে নিয়ে আবার আগের মতো খেলাইচণ্ডী মেলা হচ্ছে। মেলাকে ঘিরে মানুষের ব্যাপক উৎসাহ রয়েছে। মেলা কমিটির সম্পাদক শেখ দোস্ত মহম্মদজি বলেন, খেলাইচণ্ডী মেলা মিলন মেলা। এখানে সকল ধর্মের মানুষ একত্রিত হয়ে মেলা পরিচালনা করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেলায় প্রায় চার একরের বেশি জমিতে ছোট বড় মিলে ৫০০-র বেশি দোকান বসে। এরাজ্য ছাড়াও পাশের রাজ্য বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ুর মানুষ ভিড় করেন। অন্যান্য বছরের মতো এবারও দোকান বসছে। মেলার আট দিনে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে কমিটির তরফে জানানো হয়েছে।
মাতা ঠাকুরানি কমিটির সভাপতি তথা চণ্ডী মন্দিরের সেবাইত দুয়ারকানাথ আচার্য বলেন, সকলকে নিয়ে আবার আগের মতো খেলাইচণ্ডী মেলা হচ্ছে। মেলাকে ঘিরে মানুষের ব্যাপক উৎসাহ রয়েছে। মেলা কমিটির সম্পাদক শেখ দোস্ত মহম্মদজি বলেন, খেলাইচণ্ডী মেলা মিলন মেলা। এখানে সকল ধর্মের মানুষ একত্রিত হয়ে মেলা পরিচালনা করে।



