ভোপাল: কাউন্সিলার শাফিক আনসারির নির্দেশে ভাঙা হয়েছিল বাড়ি। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন বাড়ির মালিক। আর সেই অভিযোগ উঠতেই বুলডোজার চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় আনসারির বাড়ি। চার বছর পর ধর্ষণের অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস পেলেন শাফিক। মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলার এক আদালত তাঁকে মুক্তি দিয়েছে। জানা গিয়েছে, জবরদখল করে বাড়ি তৈরির অভিযোগ উঠেছিল অভিযোগকারিণীর বিরুদ্ধে। প্রতিবেশীরাও অভিযোগ করেন ওই বাড়িতে মাদকের বেআইনি ব্যবসা চলত। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুর কর্তৃপক্ষ তাঁর বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়। সেই সময় শাফিক ছিলেন ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলার। তাঁর নির্দেশেই বাড়িটি ভাঙা হয়েছিল। এরপর ওই মহিলা অভিযোগ করেন, তাঁকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ করেছেন শাফিক। সেই অভিযোগ উঠতেই বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় শাফিকের বাড়ি। শুরু হয় আইনি লড়াই। অতিরিক্ত দায়রা আদালতের বিচারক চিত্রেন্দ্র সিং সোলাঙ্কির পর্যবেক্ষণ, ‘ওই মহিলার বয়ানে প্রচুর অসঙ্গতি রয়েছে। এমনকী, শাফিকের বাড়িতে তিনি উপস্থিত ছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। ধর্ষণের বৈজ্ঞানিক প্রমাণও পাওয়া যায়নি।’ এরপরই কাউন্সিলারকে খালাসের নির্দেশ দেন বিচারক। শাফিক বলেছেন, ‘অবৈধ মাদক পাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলাম বলে আমাকে টার্গেট করা হয়েছিল। কোনও নোটিস ছাড়াই আমার বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়।’ তিনি জানিয়েছেন, বাড়ি ভাঙার ক্ষতিপূরণ চেয়ে উপযুক্ত ফোরামের কাছে যাবেন তিনি।



