সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: ২৩ বছর পর আবার বুনিয়াদপুর শহরে ২৯ তম জেলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে। বুনিয়াদপুর ফুটবল মাঠে আজ, সোমবার বইমেলার উদ্বোধন করবেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদিকুল্লাহ চৌধুরী, মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। ৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে মেলা চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। মেলায় মোট ৭৫টি স্টল থাকছে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন প্রকাশন সংস্থা বই নিয়ে হাজির হচ্ছে সাতদিন। বেলা সাড়ে বারোটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত বইমেলা চলবে।
Advertisement
মেলা প্রাঙ্গনে এবারে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু রাজ্য সরকারের বাংলার বাড়ি প্রকল্প। মূল মঞ্চের পাশে প্রতীকী বাংলার বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর থেকে শুরু করে মেডিক্যাল টিম, দমকল ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের স্টলও থাকছে সাধারণ মানুষের সচেতনতায়। উদ্বোধনের দিন থেকে কবি, সাহিত্যিকদের নিয়ে থাকবে সেমিনার, লিটল ম্যাগাজিনের স্টল থাকছে। প্রতি সন্ধ্যায় থাকছে প্রতিযোগিতামূলক, সাংস্কৃতিক ও লোকশিল্পীদের অনুষ্ঠান। বর্তমান ডিজিটাল যুগে বই পড়ার আগ্রহ কমছে অল্প বয়স্ক ও প্রবীণদের মধ্যে। মোবাইলের অপকারিতা নিয়ে একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের টেলিফিল্ম আত্মপ্রকাশ হবে।
২০০২ সালে শেষবার জেলা বইমেলা হয়েছিল বুনিয়াদপুর ফুটবল মাঠে। দুই দশক পর বুনিয়াদপুরে জেলা বইমেলা হওয়ায় খুশি গঙ্গারামপুর মহকুমার বাসিন্দারা।
বুনিয়াদপুর শহরের সাহিত্যিক গোবিন্দ তালুকদার বলেন, এখনও জেলায় বইমেলাকে কেন্দ্র করে আলাদা উৎসাহ রয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে। জেলা গ্রন্থাগার আধিকারিক তনুময় সরকার বলেন, জেলা বইমেলা এবারে বুনিয়াদপুর শহরের হচ্ছে ২৩ বছর পর। আমরা মেলাকে সফল করতে সমাজের সমস্তস্তরের সাধারণ মানুষকে আহ্বান করেছি। ভালো ভালো প্রকাশন সংস্থা হাজির থাকছে তাদের বইয়ের সম্ভার নিয়ে। জেলার কবি, সাহিত্যিকদের নিয়ে আমরা নানা অনুষ্ঠান করছি। বইমেলায় প্রবেশ অবাধ।
২০০২ সালে শেষবার জেলা বইমেলা হয়েছিল বুনিয়াদপুর ফুটবল মাঠে। দুই দশক পর বুনিয়াদপুরে জেলা বইমেলা হওয়ায় খুশি গঙ্গারামপুর মহকুমার বাসিন্দারা।
বুনিয়াদপুর শহরের সাহিত্যিক গোবিন্দ তালুকদার বলেন, এখনও জেলায় বইমেলাকে কেন্দ্র করে আলাদা উৎসাহ রয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে। জেলা গ্রন্থাগার আধিকারিক তনুময় সরকার বলেন, জেলা বইমেলা এবারে বুনিয়াদপুর শহরের হচ্ছে ২৩ বছর পর। আমরা মেলাকে সফল করতে সমাজের সমস্তস্তরের সাধারণ মানুষকে আহ্বান করেছি। ভালো ভালো প্রকাশন সংস্থা হাজির থাকছে তাদের বইয়ের সম্ভার নিয়ে। জেলার কবি, সাহিত্যিকদের নিয়ে আমরা নানা অনুষ্ঠান করছি। বইমেলায় প্রবেশ অবাধ।



