Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২ বছর ধরে পড়ে কেবল বসানোর ভূগর্ভস্থ পাইপ, ঢোকেনি তার, অপারেটরদের ১০ দিন সময় দিল পুরসভা

২ বছর ধরে পড়ে কেবল বসানোর ভূগর্ভস্থ পাইপ, ঢোকেনি তার, অপারেটরদের ১০ দিন সময় দিল পুরসভা
  • ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত কয়েক বছর ধরেই শহরের নির্দিষ্ট কয়েকটি রাস্তায় ফুটপাতের তলায় পাইপ বসানো হয়েছে। সেখান দিয়ে বিভিন্ন ইন্টারনেট এবং ব্রডব্যান্ড সংস্থার কেবল লাইন সরবরাহ হওয়ার কথা। শহরের ছ’টি রাস্তায় এমনই পাইপলাইন পাতা হয়েছে। কিন্তু গত প্রায় দু’বছর ধরে সেই পাইপে কোনও তারই ঢোকায়নি ইন্টারনেট-ব্রডব্যান্ড সরবরাহকারী সংস্থাগুলি। ব্যতিক্রম একমাত্র বিএসএনএল। পুরসভা জানাচ্ছে, মোটা টাকা খরচ করে এই কাজ হয়েছে। এই পাইপের মাধ্যমে কেবল সরবরাহের জন্য পুরসভাকে মোটা টাকা দেবে সংস্থাগুলি। কিন্তু, সেটা না হওয়ায় পুরসভার কোনও আর্থিক লাভ হয়নি। তাই সম্প্রতি এই কেবল অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করে কলকাতা পুরসভার আলোক বিভাগ। বৈঠকে তার সরবরাহের ক্ষেত্রে পুরসভার ফি কমানোর দাবি জানিয়েছে সংস্থাগুলি। যদিও পুর কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দশদিন সময় দেওয়া হচ্ছে। তার মধ্যে কেবল অপারেটরদের বক্তব্য পুরসভাকে জানাতে হবে। তবে, বাতিস্তম্ভে ঝুলে থাকা তারগুলি মাটির তলার পাইপলাইনে ঢোকাতেই হবে।  
Advertisement
পুরসভার আলোক বিভাগ জানাচ্ছে, শহরের বুকে কয়েক বছর আগে প্রথম পাইলট প্রকল্প হিসেবে হরিশ মুখার্জি রোডের ফুটপাতে ভূগর্ভস্থ এই পাইপ পাতা হয়েছিল। তারপরে ধাপে ধাপে বেলভেডিয়ার রোড, জে সি রোড, হেস্টিংস পার্ক রোড, বেকার রোড ও আলিপুর রোডে সেই কাজ হয়। কিন্তু অভিযোগ, একমাত্র বিএসএনএল ছাড়া বড় কিংবা ছোট আর কোনও ইন্টারনেট বা ব্রডব্যান্ড সংযোগকারী সংস্থা এই পাইপলাইন এখনও পর্যন্ত ব্যবহার করেনি। দেড় বছর ধরে সেটা এভাবেই পড়ে রয়েছে। তারই ভিত্তিতে এদিনের মিটিং হয়। পুরসভার এক কর্তা বলেন, গুচ্ছের টাকা খরচ করে এগুলি করা হয়েছে। এখন সংস্থাগুলি এই পাইপলাইনের মাধ্যমে তার সরবরাহ না করলে পুরসভার আর্থিক ক্ষতি হবে। একমাত্র বিএসএনএল এক কোটি টাকারও বেশি দিয়েছে। বড় সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে পাইপের মধ্য দিয়ে তার সরবরাহ করতে মিটারে প্রতিবছর ১০০ টাকা এবং ছোট সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে প্রতি মিটার প্রতি বছর ২০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। পাইপলাইনের মধ্যে তার ঢোকালে অন্তত ১৫ বছরের জন্য সেই অনুপাতে অ্যাডভান্স পেমেন্ট করতে হবে। 
এই প্রসঙ্গে আলোক বিভাগের মেয়র পারিষদ সন্দীপরঞ্জন বক্সি বলেন, ওদের ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। সংস্থাগুলি নানা রকম দাবি জানিয়েছিল। আমরা দৃশ্যদূষণ রোধ করতে বদ্ধপরিকর। তারের জঞ্জাল সরাতে চাই। তাই আর অপেক্ষা নয়। এতদিন ধরে এগুলি হয়ে পড়ে রয়েছে। ফি’র বিষয়ে ওদের বক্তব্য লিখিত আকারে জানাতে বলা হয়েছে। ১০ দিনের মধ্যে ওরা কিছু না করলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ