নয়াদিল্লি: গত বছর ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশ ছাড়তে হয় তাঁকে। তারপর থেকে ভারতে রয়েছেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা। গত ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবিউনাল জুলাই আন্দোলনে মানবতা বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য আওয়ামি লিগ নেত্রীর ফাঁসির সাজা ঘোষণা করে। এবার তাঁর প্রত্যর্পণ চেয়ে নয়াদিল্লিকে চিঠি দিল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। বিদেশ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌহিদ আহমেদ একথা জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘গত শুক্রবারই আমরা এব্যাপারে চিঠি লিখেছি।’ যদিও নয়াদিল্লি এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, গত বছরের ২০ ও ২৭ ডিসেম্বরও হাসিনার প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের কাছে আর্জি জানানো হয়েছিল। এব্যাপারে ভারতের বিদেশ মন্ত্রককে চিঠি দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। ট্রাইবিউনালের রায়ের পর হাসিনার সঙ্গে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদউজ্জামান খান কামালেরও প্রত্যর্পণ চেয়েছে ঢাকা। এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক এপ্রসঙ্গে দু’দেশের ২০২৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তিরও উল্লেখ করেছে। হাসিনার জমানাতেই ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুযায়ী আদালতের রায়ে প্রত্যর্পণ করানোর মতো অপরাধ করে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এক দেশ অপর দেশের হাতে তুলে দেবে। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু নিয়মও রয়েছে। চুক্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, অপরাধটির চরিত্র যদি রাজনৈতিক থাকে, তাহলে প্রত্যর্পণ করা হবে না। উল্লেখ্য, ইউনুস সরকার ইতিমধ্যে হাসিনার কূটনৈতিক পাসপোর্টও বাতিল করেছে।