নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘বাংলাদেশি ভাষা’। সদ্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আওতাধীন দিল্লি পুলিস বাংলা ভাষাকে এমনই তকমা দিয়েছে। তার জেরে উঠেছে বিতর্কের ঝড়। ভারতের ২২টি স্বীকৃত ভাষার মধ্যে একটি বাংলা। ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদাও মিলেছে। তারপরেও কীভাবে দিল্লি পুলিস এই ভাষাকে অসম্মান করল? কীভাবে দাগিয়ে দিল ‘বাংলাদেশি ভাষা’ হিসেবে। নানা মহলে সেই প্রশ্ন উঠছে। এই আবহে গর্জে উঠলেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির কলাকুশলীরা। সোমবার অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ভাষা নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। বাংলা ভাষা ছিল, আছে, থাকবে। তার জন্য যে কোনও লড়াই করতে হলে, আমরা করব।’ গত ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের মঞ্চে ‘ভাষা সন্ত্রাসের’ প্রতিবাদে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন অভিনেতা। পাশাপাশি পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘এটা বাংলাদেশি ভাষা নয়। বাংলা। জাতীয় সঙ্গীত লেখা এই ভাষাতেই।’ সঙ্গীতশিল্পী সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘আমি অবাক হইনি! যারা এমন কাজ করেছে, তাদের কাছে এই ধরনের আচরণই কাম্য।’ সরব হয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী অনুপম রায়ও। লিখেছেন, ‘এটা কি একটা সামান্য ভুল, নাকি সচেতনভাবে করা একটি ভুল? মনে রাখবেন, আমি বাংলায় গান গাই...’। সিনেমাটোগ্রাফার মধুরা পালিত লিখেছেন, ‘বাংলাকে বাংলাদেশি ভাষা বলা হচ্ছে! এই ভাষায় দেশের কত মানুষ কথা বলেন, এতটা অসম্মান, অশ্রদ্ধা?’ এর আগে সঙ্গীতশিল্পী রূপম ইসলামও এই ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন।



