Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আর্থিক প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার বনগাঁ বিজেপির কোষাধ্যক্ষ

কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আর্থিক প্রতারণার পুরনো একটি মামলায় বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার কোষাধ্যক্ষ লক্ষ্মণ ঘোষকে গ্রেপ্তার করল পুলিস।

আর্থিক প্রতারণা  মামলায় গ্রেপ্তার বনগাঁ বিজেপির কোষাধ্যক্ষ
  • ১৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০

সংবাদদাতা, বনগাঁ: কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আর্থিক প্রতারণার পুরনো একটি মামলায় বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার কোষাধ্যক্ষ লক্ষ্মণ ঘোষকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। গত বৃহস্পতিবার রাতে বনগাঁ থানার পুলিস তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনো একটি মামলায় আদালতের হাজিরা এড়ানোয় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিজেপির জেলাস্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর গ্রেপ্তারিতে বনগাঁয় যথারীতি শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের কটাক্ষ, বেছে বেছে দুর্নীতিগ্রস্তদের পদে বসিয়েছে বিজেপি। ধৃত বিজেপি নেতা দলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দেবদাস মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। চাকরি দেওয়া বা বিদেশে লোক পাঠানোর নামে আর্থিক প্রতারণার একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 

Advertisement

বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘লক্ষ্মণ ঘোষ সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ও দেবদাস মণ্ডলের কাছের লোক। তিনি একাধিক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। বিজেপি এসব দুর্নীতিগ্রস্তদের দলীয় পদে বসিয়ে রেখেছে। এদের দিয়েই তোলাবাজি করানো হয়।’ যদিও এই গ্রেপ্তারি নিতান্তই ব্যক্তিগত বিষয় বলে দাবি করেছেন দেবদাসবাবু। তিনি বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। জেলা সভাপতির সঙ্গে অনেকের ছবিই থাকতে পারে। যারা এখন এসব বলছে, তারা তৃণমূলের দালাল।’
এদিকে, বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতির নাম ঘোষণার পর থেকে নানা জায়গায় অভ্যন্তরীণ কোন্দল সামনে আসছে। এবার নতুন সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্যর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল বিজেপির বাদুড়িয়া পুর-মণ্ডলের পার্টি অফিসের দরজায়। একাধিক দুর্নীতি থেকে শুরু করে টাকার বিনিময়ে জেলা সভাপতি পদ জোটানোর অভিযোগ করা হয়েছে ওই সব পোস্টারে। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে টিকিট পেয়ে অনেক টাকাপয়সা তিনি তছরুপ করেছিলেন বলে অভিযোগ। একটি পোস্টারে লেখা হয়েছে, স্রেফ টিউশন পড়িয়ে প্রতি বছর ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণের খরচ কোত্থেকে পান উনি? কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল ঘুরে বিজেপিতে এসে কীভাবে তিনি ২০২১-এর বিধানসভায় টিকিট পেলেন এবং কীভাবে রাতারাতি জেলা সভাপতি হয়ে গেলেন, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে। পোস্টারের বিষয়ে সুকল্যাণবাবু বলেন, ‘আমারনোমে কুৎসা রটানো হচ্ছে শাসক দলের ইন্ধনে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে কাজ করছি।’ বসিরহাটের তৃণমূলের বিধায়ক সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পোস্টার-কাণ্ডর সঙ্গে আমাদের কোনও কর্মী-সমর্থক জড়িত নয়।’

সম্পর্কিত সংবাদ