Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

স্বাস্থ্যে ফিরে দেখা

দেশের ফিরে দেখা— গুলেন ব্যারি সিনড্রোম: শুরুটা ভালো হয়নি ২০২৫-এর! জানুয়ারির শেষের দিকে গুলেন ব্যারি সিনড্রোম (জিবিএস) ছড়িয়ে পড়ে ভারতের পুণায়। এটি একটি অটোইমিউন ডিজ়অর্ডার। পক্ষাঘাতগ্রস্ত করে দিতে পারে। রোগীর মুখ বেঁকে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। পুনে, মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানায় প্রভাব ছিল সর্বাধিক।

স্বাস্থ্যে  ফিরে দেখা
  • ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৫:১২
Prefer us on Google

দেশের ফিরে দেখা—

Advertisement

গুলেন ব্যারি সিনড্রোম: শুরুটা ভালো হয়নি ২০২৫-এর! জানুয়ারির শেষের দিকে গুলেন ব্যারি সিনড্রোম (জিবিএস) ছড়িয়ে পড়ে ভারতের পুণায়। এটি একটি অটোইমিউন ডিজ়অর্ডার। পক্ষাঘাতগ্রস্ত করে দিতে পারে। রোগীর মুখ বেঁকে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। পুনে, মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানায় প্রভাব ছিল সর্বাধিক। 
জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে উদ্ভাবনী কিট: জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ যত্নবান হয়েছে ভারত। ২০২৫-এর গোড়ায় দুই বেসরকারি সংস্থা যৌথভাবে ভারতের প্রথম এইচপিভি ডিএনএ সেলফ-স্যাম্পলিং টেস্ট শুরু করে। ফলে কোনও মহিলা ঘরে বসেই জরায়ুমুখের ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ের নমুনা সংগ্রহ করতে পারছেন।
‘স্বাস্থ্য নারী, সশক্ত নারী’ অভিযান: সেপ্টেম্বরে মধ্যপ্রদেশ থেকে শুরু হয় দেশের সবচেয়ে বড় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য উদ্যোগ —স্বাস্থ্য নারী, সশক্ত পরিবার (এসএনএসপি)। আয়োজিত হয় ১০ লক্ষেরও বেশি স্বাস্থ্য শিবির। অ্যানিমিয়া, যক্ষ্মা, সিকল সেল রোগের পরীক্ষা ও চিকিৎসা, গর্ভকালীন যত্ন, টিকাকরণ, পুষ্টি সচেতনতা ও মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা, স্বেচ্ছায় রক্তদান প্রভৃতি ছিল কর্মসূচির অঙ্গ। 
ওষুধে শুল্ক ছাড়: ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে ক্যান্সার-সহ ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধ পুরোপুরি শুল্কমুক্ত করে কেন্দ্র। 
পদ্মসম্মানে রেকর্ড: সরকারের সর্বোচ্চ সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত হন ডাঃ ডি. নাগেশ্বর রেড্ডি। তিনিই প্রথম ভারতীয় চিকিৎসক, যাঁর দখলে তিনটি পদ্ম পুরস্কারই (পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণ) রয়েছে। প্রসঙ্গত, এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজির প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ রেড্ডি।
ওরাল ইনসুলিন: সূচ ফুটিয়ে ইনসুলিন নেওয়ার দিন শেষ। এইবার ইনহেলারের মতো মুখ দিয়ে টানলেই নেওয়া যাবে ওরাল ইনসুলিন। 
দুনিয়ার খবর—
চিকিত্‍সাবিজ্ঞানে নোবেল: রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কেন নিজের শরীরকে আক্রমণ করে না, তা আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৫-এ নোবেল পেলেন মেরি ই ব্রাঙ্কো, ফ্রেড রামসডেল এবং শিমন সাকাগুচি।
জিন এডিটিং-এ প্রথম সাফল্য: জিন এডিটিংয়ের মাধ্যমে রক্তাল্পতা এবং হিমোফিলিয়ার মতো কয়েকশো বংশগত রোগের জিনকে একদম নির্ভুলভাবে কাট-পেস্ট করে রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব হয়েছে। আমেরিকার হাসপাতালে প্রয়োগও শুরু হয়েছে। 
লিক্যুইড বায়োপসি: লিক্যুইড বায়োপ্সি আন্তর্জাতিকস্তরে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এতে সাধারণ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই শরীরে ক্যান্সারের উপস্থিতি সম্পর্কে ধারণা করা যাচ্ছে। 
ওষুধ তৈরিরে সফল এআই: ব্রিটিশ গবেষকরা গুগল ডিপমাইন্ড এবং অন্যান্য এআই সিস্টেম ব্যবহার করে মাত্র কয়েক মাসে নতুন অ্যান্টিবায়োটিক এবং জটিল রোগের ওষুধ তৈরি করেছেন 
কৃত্রিম অঙ্গ তৈরিতে থ্রি-ডি বায়োপ্রিন্টিং: ডি বায়ো-প্রিন্টিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন ছোটখাটো অঙ্গের টিস্যু তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গে প্রতিস্থাপন করা যাচ্ছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ