Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ট্রলি ব্যাগে লুকিয়ে গাঁজা পাচারের চেষ্টা, কলকাতা ও বারুইপুরে ধৃত ৫

লি ব্যাগে নিষিদ্ধ মাদক পাচারের চেষ্টা বানচাল করে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।

ট্রলি ব্যাগে লুকিয়ে গাঁজা পাচারের চেষ্টা, কলকাতা ও বারুইপুরে ধৃত ৫
  • ২৮ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও সংবাদাতা, বারুইপুর: ট্রলি ব্যাগে নিষিদ্ধ মাদক পাচারের চেষ্টা বানচাল করে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। কলকাতা ও বারুইপুরে জোড়া অভিযান চালিয়ে পাচারকারীদের জালে তুলেছে পুলিস। দু’টি ট্রলি ব্যাগে ২৭ কেজি গাঁজা পাচারের অভিযোগে মহিলা সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে মানিকতলা থানার পুলিস। অন্যদিকে, বারুইপুরের সূর্যপুরে প্রায় ৩৫ কেজি মাদক পাচারের চেষ্টার অভিযোগে তিনজনকে পাকড়াও করেছেন উর্দিধারীরা। 

Advertisement

কুমোরটুলি ও নিউটাউনে ট্রলি ব্যাগে মৃতদেহ পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল। এবার সেই ট্রাভেলার ব্যাগে জামাকাপড়ের নীচে বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচারের ছক বানচাল করল পুলিস। সোমবার রাতে মানিকতলা থানা এলাকার উল্টোডাঙার কাছে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেওয়া এক যুগলকে আটক করে পুলিস। তাদের হাতে দু’টি নতুন ট্রলিব্যাগ ছিল। সেগুলি তল্লাশির সময় তদন্তকারীরা জামাকাপড়ের নীচে একের পর এক গাঁজাভর্তি প্যাকেটের হদিশ পায়। তৎক্ষণাৎ ওই যুগলকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতদের নাম পবন বিশ্বাস (৩৭) ও চয়না দাস (৫০)। তারা দু’জনেই নদীয়ার বাসিন্দা। জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিসকে জানিয়েছে, ওড়িশা থেকে তারা গাঁজা নিয়ে এসেছিল। উল্টোডাঙা থেকে ট্রেন ধরে নদীয়া হয়ে বাংলাদেশে এই গাঁজা পাচারের ছক ছিল ধৃতদের। জেরায় এমনটাই দাবি করেছে তারা। মূলত এক জায়গা থেকে অন্যত্র মাদক পাচারের কাজ করত এই যুগল।
অন্যদিকে, দিনহাটা থেকে ট্রেনে চেপে শিয়ালদহ স্টেশনে এসেছিল বারুইপুরে ধৃত তিন মাদক কারবারি। শিয়ালদহ থেকে লোকাল ট্রেনে লক্ষ্মীকান্তপুর শাখার শাসন স্টেশনে আসে তারা। বাইপাসের কাছে নির্মীয়মাণ জলের ট্যাঙ্কের সামনে পুলিস হাতেনাতে ধরে পাচারকারীদের। ট্রলি ব্যাগ খুলে তল্লাশি চালালে উদ্ধার হয় প্রায় ৩৫ কেজি গাঁজা। ধৃতদের নাম আব্দুল বাসার মণ্ডল ওরফে খোকন, লাদেন হক ও মৃণাল হক। তদন্তকারীরা বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরেই মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত। লাদেন আর মৃণাল মাদক নিয়ে এসেছিল। সূর্যপুরের বাসিন্দা আব্দুল বাসারের কাছে তা বিক্রির ছক ছিল তাদের। এই চক্রে আর কারা জড়িত, তা তদন্ত করে খতিয়ে দেখছে পুলিস। রেলপথে তারা মাদক নিয়ে আসায় তদন্তকারীদের ধারণা, সম্ভবত সড়কপথে নাকা চেকিং এড়াতেই তারা এই পন্থা নিয়েছে। এক্ষেত্রে রেল পুলিসের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ