Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বেলঘরিয়ায় দিদিকে খুনের চেষ্টা, গ্রেপ্তার গুণধর ভাই

দিদিকে খুনের চেষ্টায় গ্রেপ্তার ভাই বাপন দে। শনিবার সন্ধ্যায় বেলঘরিয়া থানা এলাকার এই ঘটনা ঘটেছে। ধৃতের বাড়ি মানিকতলা থানার ৫৯/৬০ বাগমারি রোডে।

বেলঘরিয়ায় দিদিকে খুনের চেষ্টা, গ্রেপ্তার গুণধর ভাই
  • ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: দিদিকে খুনের চেষ্টায় গ্রেপ্তার ভাই বাপন দে। শনিবার সন্ধ্যায় বেলঘরিয়া থানা এলাকার এই ঘটনা ঘটেছে। ধৃতের বাড়ি মানিকতলা থানার ৫৯/৬০ বাগমারি রোডে। কামারহাটি পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাসুদেবপুর মধ্যপল্লির বাসিন্দা ঝুনু মণ্ডল। তাঁর স্বামী কৃষ্ণ মণ্ডলের বেলঘরিয়া চার নম্বর রেলগেটের কাছে সাইকেলের দোকান রয়েছে। ছেলে গৌরব বাবার ব্যবসা দেখভাল করেন। ঝুনুদেবীর অবিবাহিত বড় ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। মেজো ভাই হলেন ধৃত বাপন। ছোট ভাইও অবিবাহিত। অপর এক বিবাহিত বোনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাত সাতটা নাগাদ আচমকা মেজো ভাই ঝুনুদেবীর বাড়িতে আসেন। তখন ঝুনুদেবীর স্বামী ও ছেলে দোকানে ছিলেন। ভাই এসেছে দেখে তিনি দরজা খুলে ঘরে আসতে বলেছিলেন। অভিযোগ, ভাই ঘরে ঢুকেই ঝুনুদেবীকে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করেন। গলা চেপে খুনের চেষ্টাও করেন। ঝুনুদেবী কোনওমতে তার হাত কামড়ে ঘরের বাইরে বের হন। তাঁর আর্ত চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা জড়ো হতে শুরু করেন। তখন অভিযুক্ত বাপন পালানোর চেষ্টা করেন। তাতে এলাকাবাসীরা তাঁকে পাকড়াও করে গণধোলাই দেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। গৌরব মণ্ডল বলেন, প্রথমে পাড়ার বন্ধু ফোন করে ঘটনার কথা জানায়। আমরা ভেবেছিলাম, চোর এসে চুরিতে বাধা পেয়ে মাকে খুনের চেষ্টা করেছে। পরে বুঝলাম, মেজো মামা এসে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। দাদু-দিদা সরকারি কোয়ার্টার্সে থাকতেন। বহু আগে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের যা সম্পত্তি, তা তিন মামাকে ভাগ করে দিয়ে গিয়েছেন। মায়ের তো সেভাবে কোনও সম্পত্তি নেই। তাছাড়া মেজো মামার সঙ্গে বহুদিন আমাদের যোগাযোগও নেই। তারপরও কী উদ্দেশ্যে মামা খুন করতে এলেন, বুঝতে পারছি না। অথচ, মাকে মারধর করার সময় উনি নাকি বলছিলেন, তোরা সব সম্পত্তি খাবি, আমি পাব না! ওঁর মস্তিস্ক বিকৃত কি না, তাও বুঝতে পারছি না।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ