সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ময়নাগুড়ির বোলবাড়িতে এটিএম লুট কাণ্ডে ধৃতরা কেরলেই প্রথম এটিএম লুট করেছিল। ধৃত চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন, অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই খুন সহ খুন করার চেষ্টার মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত। কেরলে এটিএম লুটের পর গ্যাংটি হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানে একই ধরনের অপরাধ করেছে। বাংলার ইটাহারেও এটিএম লুট করেছিল তারা। বিভিন্ন রাজ্যে এটিএম লুট করলেও অবশেষে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস ও শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের তৎপরতায় গ্যাংয়ের চার দুষ্কৃতী ধরা পড়ে।
ময়নাগুড়ি থানার তদন্তকারী এক অফিসার জানান, ধৃত ইরফান খানের বিরুদ্ধে ডাকাতি, খুনের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। নরেশ কোহলির বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ। সামশের খানের বিরুদ্ধে খুন ও প্রতারণার মামলা আছে। আসলুপ খানের বিরুদ্ধেও খুনের কেস চলছে। বিভিন্ন থানায় মামলাগুলি নথিভুক্ত। আসলুপ দিল্লি পুলিসে কর্মরত ছিলেন। তবে, অপরাধ জগতের সঙ্গে নাম জড়িয়ে যাওয়ায় ২০১৬ থেকে তিনি সাসপেন্ড হয়ে আছেন। অভিযুক্তদের কারও বিরুদ্ধে ২০ টি, কারও বিরুদ্ধে ৩০ টি মামলা ঝুলছে।
ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। রাজ্য এবং রাজ্যের বাইরে বিভিন্ন থানায় মামলা চলছে তাদের নামে। এটিএম লুটের তদন্ত
চালিয়ে যাচ্ছি।