মধ্যপ্রদেশের জঙ্গলে তাঁর বাস। নাম লক্ষ্মী মারাভি। প্রকৃতির সঙ্গে বন্ধুত্ব শুরু হয়েছিল সেই কোন ছোটবেলায়। প্রকৃতিকে ভালোবাসতে শিখেছেন নিজে থেকেই। গাছের সঙ্গে সখ্য তৈরি হয়েছে তাঁর। নিজের এই টান, ভালোবাসা তিনি আরও অনেকের মধ্যেই ছড়িয়ে দিতে চান। তাই মধ্যপ্রদেশ পর্যটন দপ্তর যখন প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মসূচি, ‘অনুভূতি’ শুরু করে তখন সেখানে শিক্ষাবিদ হিসেবে যোগ দেন তিনি। বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে বন সংরক্ষণের কর্মসূচি পালন করনে লক্ষ্মী। স্কুলের বাচ্চাদের মধ্যে প্রকৃতি সচেতনতা বাড়িয়ে তুলতে চান তিনি। প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখলে সেও যে আমাদের দেখভাল করবে সেই শিক্ষাই স্কুলের শিশুদের দিতে চান। অনুভূতির কর্মসূচি অনুযায়ী, স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নেচার ক্যাম্প-এ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গাছ ও পশু চেনানো হয়। তাদের স্বভাবচরিত্র সম্বন্ধে জানানো হয়। পরবর্তী কর্মসূচিতে পর্যটকদেরও এই নেচার ক্যাম্পে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পরিবেশ ও প্রকৃতি বিষয়ক পাঠ ও কর্মসূচির পরিকল্পনায় এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন লক্ষ্মী মারভি। পর্যটন দপ্তরের পক্ষ থেকে তাঁকে ‘গ্রিন টিচার’ পুরস্কার প্রদান করা হয়।



