সংবাদদাতা, হবিবপুর: জমিদাতাকে চাকরি দেওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে পিএইচই’র জলের ট্যাঙ্ক নির্মাণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের হবিবপুর ব্লক সভাপতি কেষ্ট মুর্মুর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি হবিবপুর ব্লকের জাজইল গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিপুর এলাকার।
সংবাদদাতা, হবিবপুর: জমিদাতাকে চাকরি দেওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে পিএইচই’র জলের ট্যাঙ্ক নির্মাণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের হবিবপুর ব্লক সভাপতি কেষ্ট মুর্মুর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি হবিবপুর ব্লকের জাজইল গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিপুর এলাকার।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সোমবার কেষ্টর বিরুদ্ধে পিএইচই-র সুপারিনটেন্ডেন্ট ইঞ্জিনিয়ারকে লিখিত অভিযোগ জানান জমিদাতা শ্রীনাথ হেমব্রম। সম্প্রতি তিনি জেলাশাসকের কাছে কেষ্টর বিরুদ্ধে একই অভিযোগ জানিয়েছিলেন। পাল্টা জেলাশাসককে বিস্তারিত লিখে অভিযোগ জানিয়েছেন কেষ্টও। এই ঘটনায় রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে ব্লকজুড়ে। হরিপুর মৌজায় সংশ্লিষ্ট জায়গাটিতে প্রায় ৪০ শতক চাষযোগ্য জমির পাট্টা ছিল শ্রীনাথের। ২০২৩ সালে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের জল প্রকল্পের জন্য ট্যাঙ্ক নির্মাণ করতে ওই জায়গাটি বাছা হয়। শ্রীনাথ প্রথমে জমি দিতে অস্বীকার করেছিলেন। পরবর্তীতে হবিবপুরের তৎকালীন বিডিও, বিএলআরও ও আইসি শ্রীনাথের সঙ্গে বসে জমিটি দেওয়ার আবেদন জানান। পরিবর্তে ঠিক তার পিছনেই ৬০ শতক সরকারি চাষযোগ্য অন্য জমি তাঁকে দেওয়া হয়। এরপর পিএইচই’র কাছে শ্রীনাথ চাকরির দাবি জানান। তাঁর দাবি, কাজ শেষ হলে ভেবে দেখা হবে বলে জানিয়েছিলেন আধিকারিকরা। প্রকল্পের কাজ এখন প্রায় শেষের দিকে।
চাকরি দেওয়ার বিষয়ে কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছেন না বলে জানান শ্রীনাথের ছেলে অবিনাশ। তাঁর অভিযোগ, পরিবারের দু’জনকে চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এখন বিষয়টি কেষ্টকে জিজ্ঞাসা করতে গেলে এড়িয়ে যাচ্ছেন। আসলে তিনি চাকরি হাতানোর চেষ্টা করছেন। চাকরি না দিলে জমি ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
এপ্রসঙ্গে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কেষ্ট বলেন, ২০২৩ সালে প্রকল্পটি নির্মাণের সময় জাজইল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন আমার স্ত্রী মিনতি টুডু। সমস্ত আধিকারিকদের সঙ্গে শ্রীনাথ কথা বলেছিলেন। তাঁদের পরিবারের কাউকে চাকরি দেওয়া হোক, লিখিতভাবে বিভিন্ন দপ্তরে পঞ্চায়েতের তরফে জানিয়েছিলাম। তার প্রমাণপত্র এখনও আছে। তাঁরা আমাকে ভুল বুঝছেন। হবিবপুরের বিডিও মনোজ কাঞ্জিলাল বলেন, বিষয়টি এখনও আমার কাছে আসেনি। জানালে খোঁজ নিয়ে দেখব।