নয়াদিল্লি: সন্ত্রাসের পাশাপাশি আর্থিক দুর্নীতিতেও জড়াল আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। ইডি স্ক্যানারে সামনে এসেছে একাধিক জালিয়াতির প্রমাণ। জানা যাচ্ছে, ১০ বছর ধরে পড়ুয়াদের ঠকিয়ে নানাভাবে টাকা তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট। যার পরিমাণ প্রায় ৪১৫ কোটি। তদন্তে নেমে ইডি আধিকারিকরা জানতে পারেন, শুরু থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজেদের সেরা হিসেবে প্রচার করত। দাবি করত, তারা ‘ন্যাক-এ’ স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ইউজিসির তরফে ‘১২বি’ স্টেটাস পেয়েছে তারা। অথচ বাস্তবে তাদের কোনো বৈধ অ্যাক্রিডিটেশনই ছিল না। দীর্ঘ দশ বছর ধরে এইসব ভুয়ো দাবির ভিত্তিতে পড়ুয়াদের থেকে মোটা টাকা আদায় করেছে আল-ফালাহ। কোন বছরে কত টাকা আর্থিক অনিয়ম হয়েছে সেসব তথ্যও ইডির হাতে এসেছে ইতিমধ্যে। আর এই সবকিছুর নেপথ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আর্থিক লেনদেনের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতেই রাখতেন সিদ্দিকি। মাঝেমধ্যে তাঁর পরিবারের মালিকানাধীন সংস্থাগুলিতে বিপুল অঙ্কের টাকা পাঠাতেন। আয়কর বিভাগের নজর এড়াতেই এমনটা করা হত। মঙ্গলবারই আল-ফালাহর চেয়ারম্যান তথা প্রতিষ্ঠাতা সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার তাঁকে ১৩ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল দিল্লি আদালত।



