আহমেদাবাদ, ১২ জুন: মাত্র সাত মিনিটেই সবশেষ! টেক অফের পড়েই দুর্ঘটনার কবলে পড়ল এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারের ফ্লাইট। বড়সড় দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে ২৬৬ জনের। আজ, বৃহস্পতিবার দুপুরে আহমেদাবাদ এয়ারপোর্ট থেকে টেক অফ করার পর ভেঙে পড়ে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীবাহী বিমান। সূত্রের খবর, সেই বিমানে ক্রু ও পাইলট সহ ছিলেন ২৪২ জন যাত্রী। যার মধ্যে ১ জন ব্যতীত, সকলেরই মৃত্যু হয়েছে। বিমান দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত করেছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ।
জানা গিয়েছে, টেক অফের পরেই এটিসির কাছে মে ডে কল করে দুর্ঘটনার কবলে পড়া বিমানটির পাইলট। টেক অফের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি। তারপরেই আহমেদাবাদ এয়ারপোর্টের বাইরে মেঘানিনগর এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ বিল্ডিং ও চিকিৎসকদের হস্টেলে ঢাক্কা মারে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি। মুহূর্তে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে।
সূত্রের খবর, যাত্রীবাহী বিমানটি ভেঙে পড়েছে বসতি এলাকায়। তাই হতাহতের সংখ্যাও বৃদ্ধি পয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার এই বিমানটি গুজরাতের আহমেদাবাদ থেকে যাচ্ছিল লন্ডনের গ্যাটউইক এয়ারপোর্টে। জানা গিয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়া এয়ারলাইন্সের বিমানটিতে ছিলেন গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি। উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। গুজরাত পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে, যে চিকিৎসকদের হস্টেলে বিমানটি ঢাক্কা মারে, সেখানে সেই সময়ে লাঞ্চ করছিলেন মেডিক্যালের বহু পড়ুয়া। যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। জখম বহু। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে।
এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার কবলে পড়া বিমানটিতে ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, সাতজন পর্তুগিজ ও একজন কানাডিয়ান নাগরিক ছিলেন। ইতিমধ্যেই উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল, অ্যাম্বুলেন্স, পুলিস, এয়ারপোর্টের আধিকারিকরা। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। দ্রুত গতিতে চলছে উদ্ধারকাজ। গুজরাতের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।