সংবাদদাতা, বনগাঁ: বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের ব্যবস্থা চালু করার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। বাগদার বিধায়ক থাকাকালীন মধ্যমগ্রামে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। মঞ্চ থেকেই বিষয়টি দেখবার জন্য জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২২ সালের নভেম্বর মাস থেকে বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালে প্রসূতি মায়েদের সিজারিয়ান অপারেশন ব্যবস্থা চালুও হয়। যদিও অল্প কিছুদিন চলার পর তা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় তিন বছর বন্ধ থাকার পর ফের বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালে চালু হতে চলেছে এই ব্যবস্থা। শনিবার বনগাঁতে এসে একথা জানান উত্তর ২৪ পরগনা জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সমুদ্র সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, হাসপাতালে সিজারের ক্ষেত্রে ব্লাড স্টোরেজ ইউনিট বাধ্যতামূলক। সেটি না থাকায় সিজার বন্ধ ছিল। সম্প্রতি ব্লাড স্টোরেজ ইউনিটের অনুমোদন মিলেছে। শীঘ্রই বাগদা হাসপাতালে সিজার ব্যবস্থা চালু হবে। এই খবরে খুশি বাগদাবাসী।



