Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জেলাগুলিতে যানজট নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ পেতে বেসরকারি সংস্থাকে সমীক্ষার ভার

জেলার বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হয়েছে একাধিক শপিং মল।  নতুন নতুন বিজনেস হাব গড়ে উঠেছে। সেই সঙ্গে  স্কুলের সংখ্যা বাড়ছে

জেলাগুলিতে যানজট নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ পেতে বেসরকারি সংস্থাকে সমীক্ষার ভার
  • ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জেলার বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হয়েছে একাধিক শপিং মল।  নতুন নতুন বিজনেস হাব গড়ে উঠেছে। সেই সঙ্গে  স্কুলের সংখ্যা বাড়ছে। ছোটো বড়ো বিভিন্ন যানবাহনের সংখ্যা আগের চেয়ে অনেকগুণ বেড়েছে সমস্ত জেলাতেই। যে কারণে স্কুল বা অফিস টাইমে প্রায়ই যানজট হচ্ছে জেলা শহরের একাধিক বড়ো মোড়ে। দীর্ঘক্ষণ ধরে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকছে, যা সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে। কিন্তু এই যানজটের কারণ কী? কোন কোন রাস্তায় গাড়ির চাপ অত্যন্ত বেশি? সমাধানের রাস্তা কী? এসব জানতে বেসরকারি সংস্থাকে দিয়ে সমীক্ষা করাচ্ছে রাজ্য। সঙ্গে থাকছে পুলিশও। যাতে সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে ট্রাফিক সচল রাখা যায়।

Advertisement


বর্তমান সরকারের আমলে জেলা বা মফস্‌সলের পরিকাঠামোয় উন্নতি হয়েছে। যে কারণে কলকাতার মতোই জেলার বিভিন্ন জায়গায় বড়ো বড়ো মার্কেট তৈরি হয়েছে। একাধিক নামী ইরেজি মাধ্যম স্কুল বিভিন্ন জেলায় তাদের শাখা খুলছে। রাজ্য পুলিশের ট্রাফিক দপ্তরের কর্তাদের নজরে এসেছে, কলকাতা লাগোয়া হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ছাড়াও দূরের জেলাগুলির বিভিন্ন শহরেও ব্যাপক যানজট শুরু হয়ে যাচ্ছে সকাল আটটা থেকেই। কারণ ওইসময় বিভিন্ন স্কুলে ছাত্রছাত্রীরা আসছে। এরপরই শুরু হচ্ছে অফিস টাইম। যে কারণে যানজট মিটতে মিটতে বেশ বেলা হয়ে যাচ্ছে। আবার বিকেল পাঁচটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত গাড়ি চলছে অত্যন্ত শম্বুক গতিতে। বাড়তি ট্রাফিক নামিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। বিষয়টি নবান্নের কর্তাদের জানানো হয়। উপায় বের করতে দায়িত্ব দেওয়া হয় একটি বেসরকারি সংস্থাকে।
নবান্ন সূত্রে খবর, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধরা পড়ছে জেলার অধিকাংশ রাস্তাই অত্যন্ত সরু। জনসংখ্যার সঙ্গে গাড়ি বেড়েছে ব্যপকহারে। কিন্তু সেই তুলনায় রাস্তা নেই। যে কারণে লাইন দিয়ে গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন রাস্তায়। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, কোন কোন রাস্তায় বেশি যানজট হচ্ছে? এই সমস্যা কতক্ষণ থাকছে? যানজট কোন সময়ে বেশি হচ্ছে? এই নিয়ে ডেটাবেস তৈরি করবে ওই বেসরকারি সংস্থা। সেই সঙ্গে তারা খতিয়ে দেখবে সেখানে রোডস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কোনও ত্রুটি রয়েছে কি না। এসব চিহ্নিত হওয়ার পর সুরাহার বিষয়েও ওই সংস্থা পরামর্শ দেবে। কোন কোন রাস্তা কীভাবে চওড়া করা যেতে পারে, তার তালিকা তৈরি করবে তারা। তাদের রিপোর্ট জমা পড়ার পর তারই ভিত্তিতে রাজ্য সরকার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেই খবর। পাশাপাশি কোন জায়গায় কী পরিমাণ পুলিশ কর্মী দরকার পড়বে রিপোর্টের ভিত্তিতে তাও ঠিক করা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ