নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিভিন্ন কারণে মেলেনি অনুমোদন। তাই রাজ্যের বেসরকারি ফার্মেসি (ডিপ্লোমা) কলেজগুলি এবার কারিগরি শিক্ষা দপ্তর ছেড়ে স্বাস্থ্যদপ্তরের অধীনে আসতে চাইছে। বহু কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, রীতিমতো পিঠ বাঁচাতেই অন্য বিকল্প খুঁজছে তারা। তবে, তা ফলপ্রসূ হবে কি না, সেটা সময়ই বলবে।
এরাজ্যে বেসরকারি ডি ফার্ম কলেজগুলি কারিগরি শিক্ষাদপ্তরের বৃত্তিমূলক শিক্ষা সংসদের অধীনে পরিচালিত হয়। তবে, অপর্যাপ্ত পরিকাঠামো, শিক্ষক সংখ্যা এবং অন্যান্য নানা অভিযোগে সংসদ বহু কলেজের অনুমোদন বাতিল করে। এর ফলে কলেজগুলি নানা বিকল্পের সন্ধানে ঘুরতে থাকে। এবার তারা স্টেট মেডিক্যাল ফ্যাকাল্টি অব ওয়েস্ট বেঙ্গল সংস্থাটির অধীনে আসতে চাইছে। বেলেঘাটায় অবস্থিত এই সংস্থাটি স্বাস্থ্যদপ্তরের অধীন। তাদেরই দ্বারস্থ হচ্ছে বেশ কিছু ডি ফার্ম কলেজ।
এই সংস্থার রেজিস্ট্রার ডাঃ ডি কে ঘোষ জানান, কল্যাণী বা জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের মতো সরকারি সংস্থার ডি ফার্ম পরীক্ষা তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই নিয়ে থাকেন। হলদিয়া এবং বজবজের বেসরকারি হাসপাতালের ডি ফার্ম কোর্সও তাঁদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। তবে, বেসরকারি একক ডি ফার্ম কলেজগুলি
সম্প্রতি তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেছে। এই প্রসঙ্গে ডাঃ ঘোষ বলেন, ‘ফার্মেসি কোর্সের সর্বভারতীয় নিয়ামক সংস্থা ফার্মেসি কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (পিসিআই)। তাদের স্বীকৃতি থাকলে কোনও কলেজকে আমাদের অধীনে নিতে কোনও সমস্যা নেই। তবে, এখনও পর্যন্ত সেই স্বীকৃতির কাগজ আমাদের কাছে জমা পড়েনি বলেই জানি।’
আবার এক শ্রেণির কলেজ রয়েছে যারা কারিগরি দপ্তর তথা বৃত্তিমূলক শিক্ষা সংসদের অধীনে থাকতেই ইচ্ছুক। একটি কলেজের কর্ণধার বলেন, ‘একই রাজ্যে ফার্মেসি কোর্সে দুটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা থাকলে তো বিভ্রান্তি হওয়ার কথা। ডিপ্লোমা ফার্মেসিকে ভোকেশনাল এবং স্কিল ট্রেনিং হিসেবে দেখা হয় বলে একক ডি ফার্ম কলেজগুলিকে কারিগরি দপ্তর তথা বৃত্তিমূলক শিক্ষা সংসদের আওতায় রাখা হয়েছিল। মেডিক্যাল কলেজের ডি ফার্ম কোর্সগুলি পৃথক সংস্থার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতেই পারে। সেখানে আমরা যুক্ত হব না।’