Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দোকানে বাকি ৫৮ হাজার, বাগদার স্কুলে মিড ডে মিল বন্ধ আড়াই মাস

ধার না মেটানোয় রান্নার উপকরণ দিতে অস্বীকার দোকানদারদের। তার ফলে বন্ধই হয়ে গেল স্কুলের মিড ডে মিল। বাগদা ব্লকের কনিয়াড়া যাদবচন্দ্র হাইস্কুলে গত প্রায় আড়াই মাস ধরে বন্ধ আছে মিড ডে মিল।

দোকানে বাকি ৫৮ হাজার, বাগদার স্কুলে মিড ডে মিল বন্ধ আড়াই মাস
  • ১২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: ধার না মেটানোয় রান্নার উপকরণ দিতে অস্বীকার দোকানদারদের। তার ফলে বন্ধই হয়ে গেল স্কুলের মিড ডে মিল। বাগদা ব্লকের কনিয়াড়া যাদবচন্দ্র হাইস্কুলে গত প্রায় আড়াই মাস ধরে বন্ধ আছে মিড ডে মিল। কারণ, সহ-শিক্ষকদের সঙ্গে ঝামেলার কারণে প্রায় দেড় বছর স্কুলেই আসছেন না প্রধান শিক্ষক। তিনি না আসায় মিড ডে মিলের টাকাও তোলা যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দাবি, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

Advertisement

স্কুলের মিড ডে মিল বাবদ দোকানে প্রায় ৫৮ হাজার টাকা বাকি রয়েছে বলে খবর। ব্যবসায়ীরা বারবার টাকা চেয়েও না পাওয়ায় মালপত্র দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। মাঝখান থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে মিড ডে মিল। এই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী জয়িতা বিশ্বাস বলে, ‘মিড ডে মিল অনেকদিন ধরে বন্ধ। এখন বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। আমাদের কিছু করার নেই।’ এক অভিভাবক বললেন, ‘শিক্ষকদের মধ্যে ঝামেলায় বাচ্চারা মিড ডে মিল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এটা মানা যায় না।’  মিড ডে মিলের নোডাল অফিসার অভিজিৎ মন্ডল বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক দেড় বছর ধরে স্কুলে আসছেন না। তিনি না আসায় মিড ডে মিলের টাকাও তোলা যাচ্ছে না। বকেয়া টাকা পরিশোধ না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা মালপত্র দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।’ এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক অনুপম সর্দার বলেন, ‘প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কায় দীর্ঘদিন স্কুলে ঢুকতে পারছি না। বর্তমানে স্কুলে পরিচালন কমিটি না থাকায় প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি মিড ডে মিলের সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু নোডাল অফিসার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন।’
এ বিষয়ে বাগদার বিডিও প্রসূন প্রামাণিক বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক স্কুলে আসেন না। তারই প্রভাব পড়েছে মিড ডে মিলে। ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চিত হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সমস্যা মিটে যাবে।’ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক তথা স্কুল ইনসপেক্টর (প্রাথমিক) সুকন্যা ঘোষ বলেন, ‘ওই স্কুলের মিড ডে মিল নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। স্কুল পরিদর্শন করে সব পক্ষকে নিয়ে বসে সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ