নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: চণ্ডীতলা থানা এলাকায় একটি ফটোকপি করার দোকানে জাল শংসাপত্র তৈরির চক্র ফাঁস করল পুলিস। চণ্ডীতলার প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের সই জাল করে তৈরি হয় তিনটি নকল জন্ম শংসাপত্র। এই অভিযোগে দোকানটির মালিক ও দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে চণ্ডীতলা থানার পুলিস। সূত্রের খবর, চন্দ্রা পাসোয়ান নামে এক মহিলা তাঁর তিন ছেলের জন্য জন্ম শংসাপত্র তৈরি করেন স্থানীয় এক ফটোকপি করার দোকান থেকে। সেই শংসাপত্র তিনি পঞ্চায়েতে কাজের জন্য জমাও দেন। দেখা যায়, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ইস্যু করা হয়েছিল তিনটি শংসাপত্র। তাতে রয়েছে পঞ্চায়েত প্রধানের সই। কিন্তু, আদতে তখন সেই ব্যক্তি পঞ্চায়েত প্রধানই ছিলেন না। ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পঞ্চায়েতের প্রধানের আসনে ছিলেন তিনি। সেক্ষেত্রে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০১৯ সালের শংসাপত্রে তাঁর সই এল কীভাবে? সেই ঘটনারই অভ্যন্তরীণ তদন্ত করে বর্তমান পঞ্চায়েত। কোথা থেকে এই শংসাপত্র পেলেন চন্দ্রা, তা জিজ্ঞাসা করা হয়। তখনই জানা যায় ফটোকপি করার দোকানটির কথা। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দোকানে অভিযান চালায় পুলিস। সেখান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে, পঞ্চায়েতের একজন সদস্যই শংসাপত্র ওই দোকান থেকে তৈরির জন্য চন্দ্রাকে সুপারিশ করেছিলেন। তাঁর ভূমিকাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, চন্দ্রার স্বামী আজাদ পাসোয়ানকে আটক করে জেরা করছে পুলিস। সব কিছু জেনেশুনে এই জাল শংসাপত্র তৈরি করা হয়েছিল কি না, তাও নজরে রাখছে চণ্ডীতলা থানার পুলিস।



