নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এক্ষেত্রে নামেই এসে গেল! নাম এক হওয়ার সুবাদে হাওড়ার এক ‘চেস্ট স্পেশালিস্ট’-এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে দিনের পর দিন চিকিৎসা করছিলেন অন্য এক ব্যক্তি। গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে অভিযুক্ত ‘ভুয়ো’ ডাক্তারের বিরুদ্ধে আমতা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রকৃত ডাক্তার। অবশেষে তদন্তে নেমে বসিরহাটের বদরতলা এলাকা থেকে তাঁকে পাকড়াও করল পুলিস। এই অভিযানে সহযোগিতা করেছে বসিরহাট থানা। ধৃতের নাম ইন্দ্রনীল বসু। বুধবার সন্ধ্যায় তাঁকে আমতা থানায় নিয়ে গিয়েছে পুলিস। আজ, বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে।
হাওড়ায় দীর্ঘদিন ধরেই চেস্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে চিকিৎসা করছেন ইন্দ্রনীল বসু। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের দেওয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বরও রয়েছে তাঁর। কিন্তু কয়েকমাস আগে ইন্দ্রনীলবাবু জানতে পারেন, তাঁর রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে একই নামে অন্য একজন চিকিৎসা করছেন। আর তিনিও চিকিৎসা করছেন চেস্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে। হাওড়ার আমতার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটেও চেম্বার করেছেন ভুয়ো ইন্দ্রনীল। বিষয়টি জানাজানি হতে আমতা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রকৃত চিকিৎসক ইন্দ্রনীল। এরপরেই অন্য ইন্দ্রনীলকে ধরতে হন্যে হয়ে ওঠে পুলিস। অবশেষে, বুধবার বিকেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত ইন্দ্রনীল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করছেন। এদিকে, বসিরহাট পুলিসের একটি বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, ধৃত ইন্দ্রনীল কোনওভাবেই স্বীকার করছেন না যে, তিনি রেজিস্ট্রেশন নম্বর চুরি করে চিকিৎসা করছিলেন। এমনকী অ্যারেস্ট মেমোতেও তিনি নিজেকে ডাক্তার বলে দাবি করেছেন।