Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

উত্তরকাশী সুড়ঙ্গ শেখালো ঐক্যের শক্তি
সমৃদ্ধ দত্ত

শাবা আহমেদের কাছে আমরা একটা শিক্ষা পেলাম। পুরনো শিক্ষা। নতুন করে। তিনি শিক্ষা দেবেন বলে বলেছেন এমন নয়। খুবই স্বাভাবিকভাবে বলছিলেন কথাগুলো। কিন্তু প্রতিটি বাক্যে আমরা বুঝলাম হ্যাঁ, এটাই হল সফল, সুখী আর মনের শক্তি অর্জনের চাবিকাঠি। যাঁকে তিনি এই কথাগুলো বলছিলেন, সেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও আশা করা যায় শাবা আহমেদের মনের কথা শুনতে ভালোই লেগেছে। 
উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪১ জন কর্মী যখন অবশেষে মুক্তি পেলেন, তখন গোটা দেশবাসী স্বস্তি পেলেন। ১৭ দিন পর খোলা আকাশের বাতাস পেলেন তাঁরা। দেশে এল দমবন্ধ করা অপেক্ষার অবসান। এই আটকে পড়া নির্মাণকর্মীদের সঙ্গে বুধবার ফোনে কথা বলছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি ছিলেন দিল্লিতে। নিজের দপ্তরে। আর ওই কর্মীরা ছিলেন উত্তরাখণ্ডে। ফোন ছিল স্পিকারে। যাতে উভয়ের কথা সকলেই শুনতে পায়। 
প্রধানমন্ত্রী তাঁদের কাছে নিজের উদ্বেগ এবং স্বস্তির বার্তা দেওয়ার পর তাঁদের মনোভাব জানতে চেয়েছিলেন। একটি ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থার কর্মী ওই সুড়ঙ্গ নির্মাণে যুক্ত শাবা আহমেদ বলছিলেন, স্যার, আমরা প্রথমে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। যখন থেকে খাবার পাওয়া গেল পাইপের মাধ্যমে তারপর থেকে আমাদের মধ্যে কোনও ভয় ছিল না। আর স্যার, আর কিন্তু এক মুহূর্তের জন্যও মনোবল হারাইনি। কেন জানেন স্যার? কারণ আমরা ৪১ জন একসঙ্গে ছিলাম। এই ৪১ জন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা। ভাষা আলাদা। কিন্তু আমরা সব একজোট ছিলাম প্রতিটি মুহূর্তে। কারও কোনও সমস্যা তৈরি হলে, আমরা সবাই একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়তাম। তার পাশে দাঁড়াতাম। একসঙ্গে খাওয়ার পর রাতে টানেলের মধ্যে কয়েক কিলোমিটার হাঁটতাম শরীর সুস্থ রাখার জন্য। সকালে যোগব্যায়াম করতাম। এই যে একসঙ্গে ছিলাম, এই কারণেই আমাদের মনের জোর কমেনি। 
কারা ছিলেন সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ওই ৪১ জনের মধ্যে? বিহারের এই শাবা আহমেদ, উত্তরাখণ্ডের গব্বর সিং নেগি, পশ্চিমবঙ্গের জয়দেব প্রামাণিক, মনির তালুকদার, শৌভিক পাখিরা, ওড়িশার তপন মণ্ডল, ঝাড়খণ্ডের বিশ্বজিৎ কুমার...। শাবা আহমেদরা ১৭ দিন একটি পাহাড়ি এলাকায় সুড়ঙ্গের মধ্যে থেকে উপলব্ধি করেছেন যে, একতার কী শক্তি। আমরা খোলা আকাশের নীচে কিন্তু সেটা বুঝতে পারছি না। আমরা বিভাজনের ফাঁদে পা দিচ্ছি। আর রাজনৈতিক দল ধর্মীয় বিভাজনের জাল ছড়াচ্ছে বারংবার। 
শাবা আহমেদের ওই কথাগুলো শুনে আমরা বুঝতে পারছি যে, উত্তরাখণ্ডের ওই সুড়ঙ্গটি আদতে ওই ৪১ জনের কাছে একটি মিনি ভারতবর্ষ হয়ে উঠেছিল। তাঁরা একটি অন্ধকারে আটকে পড়েছিলেন। সেখানে থেকে আলোর দিকে বেরতে হবে। এই ছিল লক্ষ্য। সেই আলোর দিকে আসার লক্ষ্য পূরণ করতে সর্বাগ্রে তাঁরা সকলেই ওই মিনি ভারতবর্ষের প্রত্যেক নাগরিক স্থির করেছিলেন জাত, ধর্ম, ভাষার ব্যবধানকে সরিয়ে দিতে হবে। সকলের আগে দরকার একে অন্যের হাত ধরে থাকা। দুর্বলকে শক্তি জোগানো। শক্তিমানকে নানাভাবে সাহায্য করা। এভাবে একসঙ্গে খেয়েছেন। একসঙ্গে হেঁটেছেন। একসঙ্গে যোগব্যায়াম করেছেন। একসঙ্গে কেউ হিন্দু দেবতাকে, কেউ আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন। ঐক্যই শক্তি তাঁরা প্রমাণ করে দিয়েছেন। 
এই ৪১ জন তো সুড়ঙ্গের মধ্যে ছিলেন। কিন্তু তাঁদের বাইরে বের করে আনার অসাধ্য সাধন যাঁরা করলেন সেই র‌্যাট হোল মাইনিং শ্রমিকরা কারা? ৬ জন দিল্লির। ৬ জন উত্তরপ্রদেশের। যখন ড্রিল মেশিন ব্যর্থ হল সুড়ঙ্গ খুঁড়তে, তখন এই ৬ জনের উপর এসে দায়িত্ব পড়ল। ২০ থেকে ৪৫ বছর বয়সি তাঁরা। 
তাঁদের নাম ঩কি? হাসান, মুন্না কুরেশি, নাসিম মালিক, মনু কুমার, সৌরভ, যতীন কুমার, অঙ্কুর, নাসির খান, দেবেন্দ্র, ফিরোজ কুরেশি, রশিদ আনসারি এবং ইরশাদ আনসারি।  দিল্লি জল বোর্ডের কর্মী। তাঁদের কাজই হল পাইপে ঢুকে ইঁদুরের মতো মাটি খোঁড়া। 
ওই কর্মীরা বলেছেন, সাধারণ সময়ে এই কাজটি অন্তত ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগার কথা। কিন্তু এক্ষেত্রে তো অত সময় নেওয়া যাবে না। কারণ, তাঁরা তো আর জলের পাইপ বসাচ্ছেন না। মানুষের প্রাণ রক্ষা করছেন। সুতরাং অমানুষিক পরিশ্রমে ২৭ ঘণ্টায় সাফল্য এসেছে।
আমরা নামগুলো লক্ষ্য করেছি তো? যাঁরা ভিতরে আটকে পড়েছেন! যাঁরা বাইরে থেকে রক্ষা করার কাজে নেমেছেন! আমাদের কাজী নজরুল ইসলামের কবিতাটি মনে পড়েছে তো? ‘হিন্দু না মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন? কাণ্ডারী! বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মার’। এই যে ৪১ প্লাস ১২। অর্থাৎ মৃত্যুগুহায় আটক ও উদ্ধারকর্তা মোট ৫৩ জন ভারতবাসী ১৪০ কোটি দেশবাসীকে কী শিক্ষা দিলেন? সুড়ঙ্গই হোক অথবা দেশ, সঙ্কট এলে বিভাজন কাজে দেয়? নাকি ঐক্য? তাঁরা শেখালেন যেকোনও অসাধ্য সাধন করা যায় যদি দেশ ঐক্যবদ্ধ থাকে। যদি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস আর মৈত্রী থাকে। বিভাজন এলে ঘনিয়ে আসে মুষলপর্ব। যদুবংশ ধ্বংস হয়। আর ঐক্যের শক্তি চিরন্তন। 
এই সুপারহিরোদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা বললেন। আমরা কি তাঁর কাছে এবার একটা কঠোর সতর্কবার্তা আশা করতে পারি না যে, ধর্মের নামে ভোট চাওয়া, ধর্মীয় প্ররোচনা দিয়ে রাজনৈতিক লাভ, দেশবাসীর মধ্যে কোনওরকম জাত পাত ধর্ম ভাষার বিভাজন, কোনওটাই সহ্য করা হবে না? কঠোর আইন এনে যে দলেরই নেতা কর্মী হোক, তাদের চরম শাস্তি দেওয়া হবে? 
যতই লোকসভা ভোট এগিয়ে আসছে, ততই আবার বেশি করে ধর্মীয় উগ্রতা প্রবেশ করছে রাজনীতিতে। আবার রাজ্যে রাজ্যে চলছে প্রচার, হিন্দু বনাম মুসলিম। উগ্র ধর্মীয় বিভাজন অন্যতম প্রধান হাতিয়ার শুধু নয়, হয়ে উঠছে যেন ব্রহ্মাস্ত্র। অথচ ১৪০ কোটি দেশের সম্মিলিত সর্বধর্মসমন্বয়ী জনতাই যে আসল অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ আমাদের এই আম জনতাই দিচ্ছে অবিরত।  
প্রধানমন্ত্রী আটকে পড়া শ্রমিকদের জন্য অত্যন্ত দুশ্চিন্তায় ছিলেন। সেকথা তিনি নিজেই বলেছেন ওই মুক্তি পাওয়া শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়। কিন্তু তাঁর অথবা তাঁর সরকারের কাছে আরও একটু সংবেদনশীল আচরণ কি কাম্য ছিল না? ৪১ জন শ্রমিক যখন সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন, তখন বেঙ্গালুরুতে গিয়ে তিনি তেজস নামক একটি ফাইটার জেটে বসে আকাশপথের অ্যাডভেঞ্চারাস উড়ানকে এয়ারফোর্সের ফুল ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় উপভোগ করছিলেন। হেলমেট হাতে ধরে দৃপ্ত পদক্ষেপে তিনি হেঁটে আসছেন ককপিটের দিকে। 
তাঁর পা দেখানো হচ্ছে ক্যামেরায়। ঠিক যেন হিন্দি সিনেমা। বাতাসের গতিতে উড়ে চলা তেজসের সিটে বসে তাঁর সেই উৎফুল্ল হাসিমুখের স্মার্ট  ভিডিও দিনভর ভারত সরকার প্রচার করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এরকম সুপারম্যান ইমেজ কেন প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হল ওরকম একটি সঙ্কটময় মুহূর্তে? ওই ইভেন্ট কি পিছিয়ে দেওয়া যেত না?
ঠিক উল্টোদিকে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪১ জনের মধ্যে অন্যতম গব্বর সিং নেগি কী বলেছিলেন আমরা মনে রাখছি তো? যখন উদ্ধারকার্যের সময় একে একে লাইন দিয়ে আটকে পড়া কর্মীদের বেরিয়ে আসতে বলা হচ্ছে বাইরে থেকে, তখন এই গব্বর সিং নেগি বলেছিলেন, আমি সবার বড়। তাই সবার শেষে বেরব। এই স্বার্থহীন অতি মানবিক আচরণ আমাদের হাই প্রোফাইল নেতাদের কাছে পাই না কেন? অবিরত নিজেদের প্রমোট করার এক অন্তহীন তাড়নায় তাঁরা দিগ্‌বিদিকজ্ঞানশূন্য কেন? টিম অথবা দেশ। লিডার কেমন হওয়া উচিত? গব্বর সিং নেগির মতো নয়? 
আমাদের বরাবর সঙ্কটের সময় পথ দেখান, শিক্ষা দেন এই ভারতের মহামানবের অত্যন্ত পিছনের সারিতে থাকা প্রান্তিক মানুষেরা। এই যেমন ধরা যাক ওই দিবারাত্রি পরিশ্রম করা র‌্যাট হোল মাইনিং করা শ্রমিকেরা। তাঁরা এই কাজটির জন্য পারিশ্রমিক নেবেন না বলেছেন! কোথা থেকে আসে এই শক্তি? ঐক্য থেকে! ভারতের চিরকালীন শক্তির নাম ঐক্য! বিভাজন নয়। 
01st  December, 2023
নারীদিবস, আর সামান্য কয়েকটি প্রশ্ন
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

শ্রদ্ধেয় মোদিজি, প্রথমেই আপনাকে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্য অনেক শুভেচ্ছা। নারী দিবস বললেই চলত, তাও আন্তর্জাতিক শব্দটা ব্যবহার করাটা আমাদের মতো আম আদমির বাধ্যবাধকতা।
বিশদ

দেশে কোনও গরিব মানুষ নেই, পরবর্তী চমক?
পি চিদম্বরম

‘আর গরিব নয়, ভারত দারিদ্র্য দূর করে ফেলেছে’—অবাক হবেন না, যদি একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খবরের কাগজে এমন একটা ফাটাফাটি শিরোনামের উপর নজর পড়ে আপনার। আপনাকে এটাই বিশ্বাস করাতে চায় নীতি আয়োগ।
বিশদ

04th  March, 2024
মোদিজির রাজধর্ম শুধু বাংলার জন্য!
হিমাংশু সিংহ

মণিপুর জ্বলছে মাসের পর মাস। কয়েক দফায় ভারত ভ্রমণে বেরলেও প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার সময় পাননি। বিশেষ বাক্যও খরচ করেননি উত্তর-পূর্বের এই অগ্নিগর্ভ রাজ্যের জন্য। সেখাকার নারীর সম্ভ্রম লুট নিয়ে, প্রকাশ্যে খুনখারাপি নিয়ে একটা বাক্য খরচ করার সময় হয়নি। বিশদ

03rd  March, 2024
সঙ্কটকালে তিনিই ‘ত্রাতা’
তন্ময় মল্লিক

কৃষকবন্ধুর টাকা দ্বিগুণ করা হবে, চালু হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। রেশন পৌঁছে যাবে মানুষের দুয়ারে। একুশের ভোটে এমনই ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি। বিরোধীরা বলেছিল, সব ধাপ্পা। এত টাকা আসবে কোথা থেকে? মানুষের মধ্যেও ছিল সংশয়। বিশদ

02nd  March, 2024
অমৃতকালে আত্মহত্যা বাড়ছে কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

রাজস্থানের বারমেড় অঞ্চলের গ্রামীণ এলাকার হতাশ, জীবনের প্রতি বিমুখ, পারিবারিক অত্যাচারে বিপর্যস্ত, সন্তানহীনতার কারণে নিরন্তর দোষারোপ শুনে আত্মগ্লানিতে নিমজ্জিত মহিলারা আজকাল কুয়ো খুঁজছেন। কিন্তু পাচ্ছেন না। এতদিন ধরে তারা যে সহজ পদ্ধতিতে এইসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেন, সেই ব্যবস্থা কমে যাচ্ছে। বিশদ

01st  March, 2024
৩৭০ আসনের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই এনডিএ জোট কত আসন পাবে, কত আসনে বিজেপি জয়ী হবে, তা সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করে দিয়েছেন প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী, ‘আমি দেশের মেজাজ দেখে বলছি, এনডিএ ৪০০ পার করবে। আর ভারতীয় জনতা পার্টিকে ৩৭০ সিট অবশ্যই দেবে জনগণ।’
বিশদ

29th  February, 2024
বিজেপি আর দুর্গ নয়, নিছকই কাচের ঘর
হারাধন চৌধুরী

বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, হিউম্যারিস্ট স্টিফেন লিকক বলেছিলেন, প্রবাদগুলো নতুন করে লেখা উচিত। কারণ এগুলো প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। এমনকী, কিছু প্রবাদ সাম্প্রতিক বাস্তবের বিপরীত ব্যাখ্যাই বহন করছে। প্রবাদ: কাচের ঘরের বাসিন্দাদের কখনওই অন্যের দিকে ঢিল ছোড়া উচিত নয়। বিশদ

28th  February, 2024
বাংলা চুলোয় যাক, কাঁকড়ানীতি জিন্দাবাদ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাংলায় বসে যাঁরা রাজ্য সরকারের বিরোধিতা করেন, তাঁদের অবস্থা মনিবের প্যান্টে মুখ ঘষা মার্জারের মতো। যদি মনিব মাথাটা একটু থাবড়ে দেন, তাতেই স্বর্গপ্রাপ্তি। চুলোয় যাক বাংলা। উচ্ছন্নে যাক বাঙালি। তাতে তাদের কিছুই আসে যায় না। তাঁরা বিশ্বের দরবারে বাংলাকে জুতো মারতে বেশি আগ্রহী। কেন? কারণ একটাই—তাঁদের 
পার্টি এই রাজ্যে সরকার চালায় না। সন্দেশখালি নামে একটি দ্বীপে তিনটি ব্যক্তিকে ঘিরে বিক্ষোভের আঁচে তাঁরা গোটা বাংলাকে সেদ্ধ করতে মরিয়া। একটি দ্বীপ, দু’টি ব্লক, ১৬টা গ্রাম পঞ্চায়েত, মেরেকেটে সাড়ে চার লক্ষ মানুষ। সমগ্র বাংলার বিচার এর নিরিখে হতে পারে? নাকি হওয়া উচিত?
বিশদ

27th  February, 2024
নির্বাচনী বন্ড নিয়ে ভীত দাতা, গ্রহীতা দু’পক্ষই
হুমায়ুন কবীর

‘না খাউঙ্গা না খানে দুঙ্গা’—বহুল চর্চিত জুমলাটি রাজনীতির অঙ্গন ছাড়িয়ে সমস্ত নাগরিকের মস্তিষ্কে বাসা বেঁধেছে। আমেদাবাদ থেকে আদানির চার্টার্ড ফ্লাইটে তাঁর দিল্লি উড়ে আসা আমরা ভুলিনি। ভুলিনি দূষিত দিল্লির আকাশ-বাতাসে প্রচারের ঢক্কানিনাদ, সঙ্গে প্রতিশ্রুতির বন্যা।
বিশদ

26th  February, 2024
প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা কৌশলী, ভাঙা জরুরি
পি চিদম্বরম

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেকে বোঝাতে ‘আমি’ বা ‘আমার’ শব্দ দুটি এড়িয়ে চলেন এবং সেই জায়গায় বরাবর ব্যবহার করেন উত্তম পুরুষ।
বিশদ

26th  February, 2024
সন্দেশখালি দিয়ে গোটা বাংলার বিচার!
হিমাংশু সিংহ

গেল গেল রব উঠেছে চারদিকে। একজনেরও প্রাণ যায়নি। এক রাউন্ডও গুলি চলেনি। আদালত কোনও রায় দেয়নি। ঠিক একুশ সালের বিধানসভা ভোটের আগের রিপ্লে যেন।
বিশদ

25th  February, 2024
আধার বন্ধ কি ঝড়ের পূর্বাভাস?
তন্ময় মল্লিক

বিপুল সরকার থাকেন পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের জুহিহাটি গ্রামে। নিজের কোনও ঘরবাড়ি নেই। থাকেন আত্মীয়ের ঘরে। সংসারে অভাব লেপ্টে থাকে ছায়ার মতো। সর্বক্ষণ। ভরসা বলতে খেতমজুরি আর বিনাপয়সার রেশন। অভাব থাকলেও স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। বিশদ

24th  February, 2024
একনজরে
অনুশীলন তখন শেষের পথে। একে একে ড্রেসিং-রুমে ফিরে গিয়েছেন ফুটবলাররা। তবে সতীর্থ লালচুংনুঙ্গাকে নিয়ে তখনও মাঠে স্প্রিন্ট টানতে ব্যস্ত ক্লেটন সিলভা। ৩৭ বছর বয়সেও তাঁর ...

কেটে গিয়েছে আটদিন। সেনা জাহাজ থেকে নিখোঁজ ভারতীয় নৌসেনার নাবিক সাহিল ভার্মা। এখনও কোনও খোঁজ মেলেনি তাঁর। সন্তানকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেতে মরিয়া বাবা-মা। এই অবস্থায় কেন্দ্রের কাছে তাঁদের কাতর আর্জি, ‘আমার ছেলে কোথায়?’  ...

এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। কিন্তু দক্ষিণ মালদহ লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস কর্মীদের একাংশের দাবি, এবার ওই আসনে তাদের প্রার্থী হতে চলেছেন কোতোয়ালি পরিবারের ...

শহরের ফের রেকর্ড হল সোনার দর। ওয়েস্ট বেঙ্গল বুলিয়ান মার্চেন্টস অ্যান্ড জুয়েলার্সের দেওয়া দর অনুযায়ী, সোমবার ৯৯৯ বিশুদ্ধতার ১০ গ্রাম খুচরো সোনার দর ছিল ৬৪ হাজার ৩৫০ টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে ঠিক ওই দামই ছোঁয় সোনা, যা ছিল কলকাতায় হলুদ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কাজকর্মে ক্রমোন্নতির যোগ। আইনজীবীদের সুনাম ও সাফল্য। আঘাত যোগ থাকায় সতর্ক হোন। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৩৯৭ - অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৫৫৮ - ইউরোপে প্রথম ধূমপানে তামাক ব্যবহার শুরু হয়
১৮১৫ - ‘প্রাণী চুম্বকত্বের’ (ম্যাসমেরিজম) প্রবক্তা ফ্রানৎস ম্যাসমের মৃত্যু
১৮২২ - ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ প্রকাশিত হয়
১৮৩৩ - অবিভক্ত ভারতের প্রথম দুই মহিলা কাদিম্বিনী ও চন্দ্রমুখী বসু স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন
১৯৯০- অভিনেতা অর্জুন চক্রবর্তীর জন্ম
১৯৩৯ - সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিতের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৩৯ টাকা ৮৩.৪৮ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৭১ টাকা ১০৬.৩৫ টাকা
ইউরো ৮৮.৭১ টাকা ৯১.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৬৪,০৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৬৪,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৬১,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭১,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭১,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২১ ফাল্গুন, ১৪৩০, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪। নবমী ৫/১৫ দিবা ৮/৪। মূলা নক্ষত্র ২৫/৩ অপরাহ্ন ৪/০। সূর্যোদয় ৫/৫৮/২০, সূর্যাস্ত ৫/৩৮/১০। অমৃতযোগ দিবা ৮/১৯ গতে ১০/৩৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৩/১৭ গতে ৪/৫০ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৭ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৫ গতে ১১/২৩ মধ্যে পুনঃ ১/৫১ গতে ৩/৩১ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৬ গতে ৮/৫৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১০ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। 
২১ ফাল্গুন, ১৪৩০, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪। দশমী রাত্রি ১/৩৩। মূলা নক্ষত্র দিবা ১১/২২। সূর্যোদয় ৬/১, সূর্যাস্ত ৫/৩৭। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১২/৫৪ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/১৯ গতে ৪/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩২ মধ্যে ও ৮/৫৫ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৪০ গতে ৩/১৫ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৮ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/১৬ গতে ২/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১০ গতে ৮/৪৩ মধ্যে।  
২৩ শাবান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে
১৩৯৭ - অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। ১৫৫৮ - ইউরোপে ...বিশদ

08:39:34 AM

ইজরায়েলে মিসাইল হামলায় নিহত এক ভারতীয়, জখম ২

08:26:07 AM

আজ শহরে মোদি, যানজটের আশঙ্কা
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় দফার সফরে আজ, মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতায় ...বিশদ

08:12:00 AM

আপনার আজকের দিনটি
মেষ: আঘাত যোগ থাকায় সতর্ক হোন। বৃষ: আয় ভাগ্য ও বিদ্যাস্থান শুভ। মিথুন: তবুও প্রকৃত ...বিশদ

08:11:50 AM

আত্মসমর্পণ জয়াপ্রদার
আচরণবিধি লঙ্ঘনের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ জয়া প্রদার। সোমবার উত্তরপ্রদেশের রামপুরের ...বিশদ

08:10:00 AM

আজ পরিবহণ ধর্মঘট স্থগিত
আজ মঙ্গলবার প্রস্তাবিত পরিবহণ ধর্মঘট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল আয়োজকরা। ...বিশদ

08:00:00 AM