নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আধুনিক হ্যাকাথন প্রতিযোগিতার সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটছে জীববৈচিত্র সংরক্ষণের প্রাচীন পন্থার। আর এই অভিনব মেলবন্ধনে উদ্যোগী হয়েছে জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (জেডএসআই)। বুধবার প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানিয়েছেন জেডএসআই অধিকর্তা ধৃতি বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিষ্ঠানের ১১১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের কথা মাথায় রেখে ১১১ ঘণ্টার হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। তাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র, গবেষক এবং বিজ্ঞানীদের ৩৬০টি দল আবেদন করেছিল। তার মধ্যে থেকে ১৯২টি দলকে বেছে নেওয়া হয়। বিভিন্ন ধাপে বাছাই প্রক্রিয়া শেষে পাঁচটি দলকে নিয়ে ২৯ জুন ধনধান্য স্টেডিয়ামে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
৩০ জুন থেকে ২ জুলাই জেডএসআইয়ের প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠানের অংশ হিসাবে একই জায়গায় পালিত হবে অ্যানুয়াল ট্যাক্সোনমি সামিট। ভারতে আবিষ্কৃত বিভিন্ন নতুন জীবের নামও প্রকাশ করা হবে। খোদ পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অনুষ্ঠানের সুচনা করবেন। প্রকাশিত হবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের জীববৈচিত্র সম্পর্কিত জার্নাল তথা রিপোর্ট। অনুষ্ঠানে জেডএসআই ডিরেক্টরেকে প্রশ্ন করা হয়, নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রস্তাবিত আইসিটিপি (বন্দর) এবং এরাজ্যের দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরিতে জীববৈচিত্রের উপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সমীক্ষা হয়েছে কি না। তিনি জানান, আন্দামান নিকোবরে তাঁদের আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে। সেখানে নিয়মিত সমীক্ষা চলে। উন্নয়নের জন্য যদি গাছ কাটা পড়ে, সেগুলি অন্যত্র রোপণ করে ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। যদিও, জীববৈচিত্রের উপর প্রভাব নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।