Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভাড়া বাবদ কয়েক লক্ষ টাকা পাবে জেলা পরিষদ, দ্রুত মেটাতে নির্দেশ ব্যবসায়ীদের

জেলা পরিষদের টাকায় বাম আমলে তৈরি হয়েছিল মার্কেট। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে সেখানে দোকান নিয়ে থাকলেও, তার ভাড়া দিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। অনেকে আবার লিজের টাকাও বকেয়া রেখেছেন।

ভাড়া বাবদ কয়েক লক্ষ টাকা পাবে জেলা পরিষদ, দ্রুত মেটাতে নির্দেশ ব্যবসায়ীদের
  • ২৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: জেলা পরিষদের টাকায় বাম আমলে তৈরি হয়েছিল মার্কেট। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে সেখানে দোকান নিয়ে থাকলেও, তার ভাড়া দিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। অনেকে আবার লিজের টাকাও বকেয়া রেখেছেন। ফলে মোটা অঙ্কের টাকা হাতছাড়া হচ্ছে জেলা পরিষদের। পাশাপাশি বাজার অবস্থাও বেহাল। তাই, মঙ্গলবার হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের মছলন্দপুর ডাকবাংলো বাজার ও সুপার মার্কেট পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদের আধিকারিকরা। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে সমস্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন তাঁরা। পাশাপাশি আগামী দিনে এই বাজারগুলি নিয়ে কী পরিকল্পনা রয়েছে, সেটাও ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

২০০৩ সালে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ ছিল বামেদের দখলে। তখন মছলন্দপুর ১ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায় তৈরি হয় ডাকবাংলো বাজার ও সুপার মার্কেট। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৬৯টি দোকান রয়েছে। বাম আমলেই বড় ৫০টির মতো দোকান ৩৩ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়েছে ব্যবসায়ীদের। কিন্তু সেই লিজের অর্থ জেলা পরিষদে জমা পড়েনি বলে দাবি বর্তমান বোর্ডের। এছাড়া মার্কেটের যত্রতত্র পড়ে আবর্জনা। বিপজ্জনক অবস্থা বিদ্যুৎ সংযোগেরও।
তাই মঙ্গলবার আচমকা দুই মার্কেটে হানা দেন জেলা পরিষদের আধিকারিকরা। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ অজিত সাহা, অধ্যক্ষ আরশাদ উদ জামান প্রমুখ। এনিয়ে অজিতবাবু বলেন, সিপিএম নিজেদের মতো বাজার নিয়ে ছেলেখেলা করেছে। লিজের টাকা জমাও দেয়নি। সব মিলিয়ে বকেয়ার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা। মোটের উপর জেলা পরিষদের আয় বৃদ্ধি ও ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে এদিন এই সফর। যাঁরা লিজের টাকা এখনও জেলা পরিষদে জমা করেননি বা ভাড়ার টাকা দেননি, তাঁদের দ্রুত টাকা জমা দিতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে অধ্যক্ষ আরশাদ উদ জামান বলেন, মার্কেট নতুন করে সংস্কার হবে এক কোটি টাকায়। কিন্তু সিপিএম যেভাবে এই বাজার নিয়ে রাজনীতি করেছে, তার খেসারত আজ আমাদের দিতে হচ্ছে। তবে ন্যায্য যে টাকা জেলা পরিষদের পাওনা, তা প্রত্যেককেই দিতে বলা হয়েছে। এ নিয়ে বাজার কমিটির সম্পাদক নারায়ণ ঘোষ বলেন, বকেয়া টাকা মেটাতে এদিন ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে বাজার সংস্কার করা হবে বলেও ওঁরা আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিকে, এনিয়ে সিপিএমের এক জেলা নেতার টিপ্পনি, বামেরা ক্ষমতা থেকে চলে গিয়েছে ১৪ বছর আগে। এতদিন পরে তৃণমূলের বাজারের কথা যে মনে পড়ল? আসলে এর পিছনে দেখবেন অন্য গল্প আছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ