Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

যুবসাথীর অ্যাপ্লিকেশন স্টেটাস এক ক্লিকেই, পদক্ষেপ নবান্নের

যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেতে ৮৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। এই আবেদনকারীরা অনলাইনেই দেখতে পাবেন তাঁদের অ্যাপ্লিকেশন স্টেটাস। অর্থাৎ, তাঁরা এক ক্লিকেই জানতে পারবেন তাঁদের আবেদন গৃহীত হওয়ার হালহকিকত।

যুবসাথীর অ্যাপ্লিকেশন স্টেটাস  এক ক্লিকেই, পদক্ষেপ নবান্নের
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

প্রীতেশ বসু, কলকাতা: যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেতে ৮৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। এই আবেদনকারীরা অনলাইনেই দেখতে পাবেন তাঁদের অ্যাপ্লিকেশন স্টেটাস। অর্থাৎ, তাঁরা এক ক্লিকেই জানতে পারবেন তাঁদের আবেদন গৃহীত হওয়ার হালহকিকত।

Advertisement

২১-৪০ বছর পর্যন্ত বয়সি যুবক-যুবতীদের প্রতিমাসে দেড় হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে যুবসাথী প্রকল্প চালু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ১৫-২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে স্বনির্ভর বাংলা শিবির এবং অনলাইনের মাধ্যমে এর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। এপ্রিল থেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে শীঘ্রই আবেদন যাচাইয়ের কাজও শুরু হবে। তবে এসবের মাঝে এখনো বাকি প্রায় একমাস। স্বাভাবিকভাবেই উৎকণ্ঠা তৈরি হতে পারে আবেদনকারীদের মধ্যে। একথা মাথায় রেখেই আগামী দু-একসপ্তাহের মধ্যেই যুবসাথীর অ্যাপ্লিকেশন স্টেটাস জানার ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 
কিন্তু অ্যাপ্লিকেশন স্টেটাস জানা যাবে কীভাবে? সূত্রের খবর, দুটি পোর্টাল এবং একটি অ্যাপে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছে। সেখানেই ‘অ্যাপ্লিকেশন স্টেটাস’ লিংক দেওয়া হবে। তাতে ক্লিক করে আবেদনপত্রে থাকা রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিলেই আবেদনগ্রহণের তথ্য দেখা যাবে। এবিষয়ে রাজ্যের এক আধিকারিক জানান, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ক্ষেত্রেও একইরকম ব্যবস্থা চালু আছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়েও আবেদনকারী অ্যাপ্লিকেশন স্টেটাস দেখে নিতে পারেন। এবার যুবসাথীতেও একই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। 
প্রশানসিক মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, আবেদনগ্রহণের পর যাচাই প্রক্রিয়া কীভাবে চলবে? এই প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা যুবকল্যাণ দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে জেলা প্রশাসন কীভাবে উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবে? এসব নিয়েই একটি এসওপি তৈরি করছে অর্থদপ্তর। কাজটি অনেকাংশে এগিয়ে গিয়েছে। ফলে শীঘ্রই তা সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং জেলাগুলিকে পাঠানো হবে। ফলে কীভাবে এই নতুন প্রকল্পের উপভোক্তাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুবিধা পৌঁছে দেওয়া যায় সেই লক্ষ্যেই এখন একযোগে কাজ করছে রাজ্যের একাধিক দপ্তর।

সম্পর্কিত সংবাদ