Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অন্যত্র বিয়ের সিদ্ধান্ত প্রেমিকার, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী যুবক

দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দু’জনের প্রেমের সম্পর্ক। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ছিল, কোনওদিন কেউ কাউকে ছেড়ে যাবেন না। স্বপ্ন ছিল দু’জনে বিয়ে করে সুখের ঘর বাঁধবেন। সম্প্রতি সেই প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে আসেন প্রেমিকা।

অন্যত্র বিয়ের সিদ্ধান্ত প্রেমিকার, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী যুবক
  • ৩০ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দু’জনের প্রেমের সম্পর্ক। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ছিল, কোনওদিন কেউ কাউকে ছেড়ে যাবেন না। স্বপ্ন ছিল দু’জনে বিয়ে করে সুখের ঘর বাঁধবেন। সম্প্রতি সেই প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে আসেন প্রেমিকা। তাঁর অন্যত্র বিয়ে ঠিক হয়। আশীর্বাদ হয়েছিল গত বৃহস্পতিবার। আগামী নভেম্বরে বিয়ের দিন। প্রেমিকার এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি প্রেমিক। গলায় দড়ি দিয়ে ‘আত্মঘাতী’ হন তিনি। ঘর থেকেই ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বাগদা থানার মনোহরপুরে। ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা মৃতদেহ নিয়ে প্রেমিকার বাড়িতে চড়াও হন। ভাঙচুর করা হয় প্রেমিকার বাড়ি। বাগদা থানার পুলিস এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রেমিকের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। মৃত যুবকের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, বাগদা থানার মনোহরপুরের বাসিন্দা চিরঞ্জিৎ বৈরাগীর (৩০) সঙ্গে প্রতিবেশী এক যুবতীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই যুবতী পুলিসে কর্মরতা। ভিন রাজ্যে কাজ করতেন চিরঞ্জিৎ। প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে মেনে নিতে পারেননি তিনি। শনিবার তিনি বাড়ি ফেরেন। রবিবার সকালে নিজের ঘরে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বাড়ির লোকেরা। বিষয়টি জানাজানি হতেই চিরঞ্জিতের প্রতিবেশীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। প্রেমিকার বাড়ি চড়াও হয়ে তাঁরা ভাঙচুর চালান।
মৃত প্রেমিকের মা পূর্ণিমা বৈরাগী বলেন, ১৬ বছর ধরে ওই মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের প্রেম ছিল। ছেলের একাধিকবার বিয়ে ঠিক হলেও বিয়ে করতে দেয়নি ওই মেয়ে। আমার একমাত্র ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আমি চাই ওই মেয়ের কঠোর শাস্তি হোক। এবিষয়ে প্রেমিকার বাবা বলেন, চাকরি পাওয়ার আগে মেয়ের সঙ্গে চিরঞ্জিতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বর্তমানে ওদের মধ্যে কোনও সম্পর্ক ছিল না। ওরা মিথ্যা অভিযোগ আনছে। এদিন সকালে কয়েকজন লোক এসে আমার বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। পুলিস এসে সামাল দেয়।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ