Bartaman Logo
২৯ মে, ২০২৬

রাহুল গান্ধীর সহকারী সেজে ২৫ লক্ষ হাতানোর অভিযোগ, দেরাদুনের ঘটনায় ধৃত যুবক

লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীর ব্যক্তিগত সহকারি সেজে আর্থিক প্রতারণা। শীর্ষ পদের টোপ দিয়ে কংগ্রেসের মহিলা নেত্রীর থেকে ২৫ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ।

রাহুল গান্ধীর সহকারী সেজে ২৫ লক্ষ হাতানোর অভিযোগ, দেরাদুনের ঘটনায় ধৃত যুবক
  • ৮ মে, ২০২৬ ০৪:০০

দেরাদুন: লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীর ব্যক্তিগত সহকারি সেজে আর্থিক প্রতারণা। শীর্ষ পদের টোপ দিয়ে কংগ্রেসের মহিলা নেত্রীর থেকে ২৫ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ। দেরাদুনের এই ঘটনায় গৌরব কুমার নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতকে জেরা করতেই অপারেশন সংক্রান্ত একাধিক তথ্য সামনে আসে। জানা গিয়েছে, দলবল নিয়ে একাধিক রাজ্যে এই চক্র চালাচ্ছিল অমৃতসরের বাসিন্দা গৌরব। প্রথমে বিভিন্ন ওয়াবসাইট থেকে রাজনৈতিক নেতাদের তথ্য সংগ্রহ করা হত। তারপর তাঁদের টোপ দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিত অভিযুক্তরা। এসএসপি প্রমেন্দ্র দোবাল জানান, ধৃতের সঙ্গীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। 

Advertisement

সম্প্রতি পুলিশের দ্বারস্থ হন ভাবনা পান্ডে নামে এক মহিলা। দেরাদুনের ওই কংগ্রেস নেত্রী জানান, কয়েকদিন আগে তাঁকে ফোন করে গৌরব। নিজেকে রাহুল গান্ধীর সহকারী হিসাবে পরিচয় দেয়। ভাবানার মন জয় করতে হরিশ রাওয়াত, যশপাল আর্য সহ একাধিক শীর্ষ নেতার গলা নকল করে সে। গৌরব জানায়, প্রত্যেকে শহরের একটি হোটেলে বৈঠক করছেন। বিশ্বাস অর্জন করার পরে ভাবনার কাছ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা দাবি করে অভিযুক্ত। মহিলাকে বলা হয়, টাকা দিলে তাঁকে দলে শীর্ষ পদ পাইয়ে দেওয়া হবে। সবকিছু শুনে টাকা দিতে রাজি হন ভাবনা। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে যায় গৌরব। পরে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।  দোবালের কথায়, ‘টাকা নেওয়ার পর থেকেই মহিলার ফোন ধরছিল না অভিযুক্ত। মেসেজের কোনো উত্তর দিচ্ছিল না। তখনই ভাবনা বুঝতে পারেন, তাঁকে বোকা বানিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। শুরু হয় তদন্ত। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজের সাহায্যে রবিবার গৌরবকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের তিনজন সঙ্গীর খোঁজে তল্লাশি জারি রয়েছে।’
ধৃতকে জেরা করে পুলিশ জানতে পারে, অতীতে বহু নেতাকে প্রতারণার জালে ফাঁসিয়েছে গৌরব ও তার সহকারীরা। এর জন্য ওয়েবসাইট ঘেঁটে প্রবীণ নেতাদের আপ্ত সহায়কদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হত। বিভিন্ন রাজ্যে দলীয় কর্মীদের খোঁজখবর নিত অভিযুক্তরা। দোবাল বলেন, ‘২০১৭ ভোটে টিকিটের টোপ দিয়ে জয়পুরের দুই নেতার থেকে ২ কোটি হাতিয়ে নেয় অভিযুক্তরা। পরে শীর্ষ পদের লোভ দেখিয়ে পাটনার এক নেতার থেকে ৩ লক্ষ টাকা আদায় করা হয়।’

সম্পর্কিত সংবাদ