নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কনটেন্ট রাইটিং শেখানোর নামে বাড়িতে নিয়ে এসে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীকে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে বিক্রম রায় নামের এক কনটেন্ট রাইটারকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পূর্ব যাদবপুর থানা। তরুণীর মেডিকো লিগ্যাল করানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব পুঁটিয়ারির বাসিন্দা ওই যুবকের সঙ্গে নির্যাতিতার পরিচয় হয় ফেসবুকে। বিক্রম নিজেকে কনটেন্ট রাইটার বলে পরিচয় দেয়। দু’জনে প্রথমে মেসেঞ্জারে কথা বলত। পরে মোবাইল নম্বর আদানপ্রদান হয়। ওই তরুণী প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। দু’জনে বিভিন্ন জায়গায় দেখাও করেন। তরুণীকে কনটেন্ট রাইটিং শেখাবেন বলে বাড়িতে ডেকে পাঠায় যুবক। সেখানে কয়েকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। তরুণী যাতে কোনো অভিযোগ না করেন, সেজন্য অভিযুক্ত জানায়, তাঁকে বিয়ে করবে। এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে ফের ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এভাবে নির্যাতিতা তিনবার গর্ভবতী হয়ে পড়েন। অভিযুক্ত যুবক জোর করে গর্ভপাত করান তরুণীর। এরপর ওই যুবক তাঁকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে বলে তরুণী লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। গত ১ সেপ্টেম্বর তিনি পূর্ব যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে কেস রুজু করে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করে ওই যুবককে। বৃহস্পতিবার তাকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তের আইনজীবী সৈকত রক্ষিত বলেন, ওই কনটেন্ট রাইটারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। তরুণী নিজের ইচ্ছায় ঘনিষ্ঠ হয়েছেন। সরকারি আইনজীবী সাজ্জাদ আলি খান বলেন, নির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই ওই যুবককে ধরা হয়েছে।