নয়াদিল্লি: কথা ছিল দাবি আদায়ের। শান্তিপূর্ণ মিছিল করে সংসদের দিকে যাওয়ার কথা ছিল ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে ছাত্র-যুবদের। সোমবার তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে পুলিশ ও র্যাফ। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। পুলিশের লাঠিচার্জে গুরুতর জখম এক তরুণীকে বর্তমানে দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া (আরএমএল) হাসপাতালের ভেন্টিলেটর সাপোর্টে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাঁর আঘাত কতটা গুরুতর, এনিয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে দিল্লি পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীরা অগ্নিমূর্তি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। একাধিকবার নিষেধ সত্ত্বেও তাঁরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনের দিকে এগতে থাকে। একটা সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে ও সরকারি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। বিক্ষোভকারীদের হামলায় অন্তত ১১৮ জন পুলিশকর্মী আহত হন। অপরদিকে লাঠিচার্জ ও পদপিষ্টে অন্তত ৬০ বিক্ষোভকারী আহত হন বলে দিল্লি পুলিশ স্বীকার করে নিয়েছে। ছাত্রদের আন্দোলনে এমন দমন-পীড়নের তীব্র সমালোচনা করেছে বিরোধীরা। তাঁদের উপর আমানবিক আচরণের জন্য বিজেপি সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তাঁরা। সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে পুলিশের লাঠিচার্জে আহত কর্মী ও সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ছাত্রীদের উপর পুরুষ পুলিশ অফিসাররা লাঠিচার্জ করেছেন। এই নির্মম ঘটনার জন্য আমি তাঁদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আপনাদের রক্ষা করতে আমার আরও কিছু করার প্রয়োজন ছিল।



