নয়াদিল্লি: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন এক আন্দোলনকারীর বাবার মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করলেন স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ নামে এক হিন্দুত্ববাদী নেতা। তাঁর দাবি, বিজেপি নেতৃত্ব ও পুলিশের আশীর্বাদ থাকায় তাঁকে জেলেও যেতে হয়নি। এক পডকাস্টে এমন বক্তব্যকে ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
ভরদ্বাজ বলেন, ‘আমি নিশুর বাবার মাথা ফাটিয়েছি। তাঁর মাথায় ৬০টি সেলাই পড়েছে। মরণাপন্ন অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন। থানার বাইরে দাঁড়িয়ে ওঁর মেয়ে বলছিল, যদি ন্যায়বিচার না পায় তাহলে সে বিষ খাবে। জানেন, এই অপরাধের জন্য ৩০৭ ধারায় মামলা হয়। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এক রাতের জন্যও আমাকে জেলে থাকতে হয়নি। আমার বড়ো ভাই কপিল মিশ্রর একটি ফোনে ছেড়ে দেওয়া হয়। কপিল মিশ্র থেকে শুরু করে মোদিজি—সবাই আমার বড়ো ভাইয়ের মতো। আমার উপর ভগবান হনুমানের আশীর্বাদ রয়েছে।’ তিনি আরও জানান, দিল্লি পুলিশের জুতো পরে ঘুরে বেড়ান। পডকাস্ট চলাকালীন নিজের জুতো ও লাঠি দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, কোনো পরীক্ষা বা ফর্ম পূরণ ছাড়াই তিনি এগুলি ব্যবহার করে ঘুরে বেড়ান।
দিল্লির যন্তরে মন্তরে নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে ধরনা দিয়েছিলেন নিশু আজাদ নামে এক ছাত্রী। তাঁর বাবার উপর বৃহস্পতিবার এক দল দুষ্কৃতী হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার নিন্দা করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও। সিজেপির তরফেও জানানো হয়েছে যে, এই ঘটনায় তারাও পুলিশের দ্বারস্থ হবে।