Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গৃহবধূকে ফের বিহারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, দম্পতির মারধরে জখম যুবক

রাস্তায় পড়েছিলেন রক্তাক্ত এক যুবক। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বিহারের বাসিন্দা ওই যুবক পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। এর আগে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে পানিহাটিতে গিয়ে তিনি এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরেছিলেন

গৃহবধূকে ফের বিহারে নিয়ে যাওয়ার  চেষ্টা, দম্পতির মারধরে জখম যুবক
  • ৬ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: রাস্তায় পড়েছিলেন রক্তাক্ত এক যুবক। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বিহারের বাসিন্দা ওই যুবক পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। এর আগে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে পানিহাটিতে গিয়ে তিনি এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরেছিলেন। এদিন ফের পানিহাটিতে এসে তিনি ওই গৃহবধূকে জোর করে ফের বিহারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তা রুখতে গিয়েই যুবককে মারধর করেন ওই দম্পতি। তাতে গুরুতর জখম যুবক মুকেশ সাউ সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে পানিহাটির দম্পতি মেঘনাদ কুণ্ডু ও তাঁর স্ত্রী সোমা কুণ্ডুকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বারাকপুর মহকুমা আদালতের বিচারক এদিন মেঘনাদকে সাতদিনের পুলিশ হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তার স্ত্রীর জেল হেপাজত হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিহারের বাসিন্দা পেশায় রাজমিস্ত্রি মুকেশ বছর খানেক আগে সহকর্মীদের সঙ্গে পানিহাটির তারাপুকুর পশ্চিমপল্লি এলাকার বাসিন্দা মেঘনাদবাবুর বাড়ির কাজে এসেছিলেন। তখন সোমাদেবীর সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। মাস পাঁচেক আগে সোমাদেবী তাঁর হাত ধরে স্বামীর ঘর ছাড়েন। যদিও কয়েক মাস আগে সোমাদেবী স্বামীর কাছে ফিরে আসেন। কিন্তু ওই গৃহবধূর পিছু ছাড়েননি মুকেশ। বুধবার রাতে মত্ত অবস্থায় মেঘনাদবাবুর বাড়িতে এসে তিনি সোমাদেবীকে ফের বিহার নিয়ে যেতে চান। কিন্তু গৃহবধূ রাজি হননি। তখন মেঘনাদবাবু বাড়িতে চলে আসেন। অভিযোগ তখন ওই দম্পতি তাকে মারধর করেন, এমনকী খুনের চেষ্টাও করেন। তাঁর মাথায় আঘাত লাগে, ডান হাত ভেঙে যায়। তিনি কোনওভাবে সেখান থেকে পালিয়ে আগরপাড়া স্টেশনের অদূরে অচেতন হয়ে রাস্তার উপর পড়ে যান। রাতেই পুলিশ মেঘনাদবাবু ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করে।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, মেঘনাদবাবু মারধরের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রীকে মুকেশ জোর করে ফের নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু স্ত্রী যেতে চায়নি। তাই তিনি মুকেশকে ঠেকাতে মারধর করেছেন। পুলিশ তাকে জেরা করে ঘটনার প্রকৃত সত্য জানার চেষ্টা করছে।

সম্পর্কিত সংবাদ