নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জয়সূচক গোলের পরেই আপুইয়া দৌড়লেন গ্যালারির দিকে। নায়ককে অভিবাদন জানাতে ছুটেছেন মোহন বাগানের বাকি ফুটবলাররাও। ডাগ-আউটেও উত্সবের আবহ। শান্ত মেজাজের কোচ হোসে মোলিনা শিশুর মতো আনন্দে লাফাচ্ছেন। যুবভারতীর গ্যালারিও তখন ‘মোহন বাগান, মোহন বাগান’ শব্দব্রহ্মে কাঁপছে। জামশেদপুরের মাঠে হারের মধুর বদলার সেলিব্রেশন তো এমনই হওয়ার কথা।
কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সঙ্গে খেলা দেখতে যুবভারতীতে উপস্থিত ছিলেন তারকা ক্রিকেটার ঋষভ পন্থ। তিনিও সবুজ-মেরুন আবেগে গা ভাসালেন। গোয়েঙ্কা বলছিলেন, ‘উপরওয়ালা আমাদের সঙ্গে আছেন। ফাইনালেও এভাবেই বাজিমাত করবে টিম। ঋষভও এদিন দারুণ ম্যাচ উপভোগ করছে।’ পেত্রাতোসদের দুরন্ত এই জয়ের সাক্ষী মোহন বাগান কিংবদন্তি হোসে র্যামিরেজ ব্যারেটোও। গ্যালারি ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর মন্তব্য, ‘কেরল, ওড়িশার বিরুদ্ধেও শেষ মুহূর্তের গোলে জিতেছিল মোহন বাগান। ঘরের মাঠে ফাইনালে সুনীলদের মোকাবিলা করতে তৈরি সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।’
সোমবার সকালে বাইপাস সংলগ্ন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জেমি ম্যাকলারেন ও দিমিত্রি পেত্রাতোস। সেখানে জেমিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এই মরশুমে তাঁর স্মরণীয় মুহূর্ত কী? সেখানে নিজের কোনও কীর্তির উল্লেখ না করে জেমি বাছলেন শিল্ড নির্ণায়ক ম্যাচে দিমিত্রি গোলটিকে। অজি তারকার কথায়, ‘ওড়িশার বিরুদ্ধে আমরা কিছুতেই গোলের মুখ খুলতে পারছিলাম না। শেষদিকে দিমিত্রিকে নামতে দেখেই, ওর কাছে দৌড়ে গিয়ে বললাম, চলতি মরশুমটা তোমার ভালো যায়নি ঠিকই। কিন্তু আজ দিনটা তোমার হতে চলেছে। আর শেষ পর্যন্ত সেটাই হল।’