Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘সব ধরনের গানবাজনা শুনতে হবে’

ডোভার লেনে প্রথম অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? ‘কয়েক দশক আগে এখানে প্রথমবার কণ্ঠসংগীত পরিবেশন করেছিলাম

‘সব ধরনের গানবাজনা শুনতে হবে’
  • ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সায়নদীপ ঘোষ: ডোভার লেনে প্রথম অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? ‘কয়েক দশক আগে এখানে প্রথমবার কণ্ঠসংগীত পরিবেশন করেছিলাম। আমার পরে ছিলেন উস্তাদ বিলায়েত খান। উনি মঞ্চের ধারে বসে আমার অনুষ্ঠান শোনেন। আশীর্বাদ করেন। শ্রোতারা খুব উৎসাহ দিয়েছিলেন। এই অনুভূতি ভোলার নয়’, স্মৃতির সরণিতে ডুব দিয়ে বললেন শিল্পী। কলকাতার মিষ্টি দই তাঁর প্রিয়। একইসঙ্গে এই শহরের শ্রোতাদের কদর করেন তিনি। দীর্ঘদিন পর ফের এই মঞ্চে অনুষ্ঠান। শিল্পীর কাছে তা অত্যন্ত স্পেশাল। তিনি বলেন, ‘ভারতে একাধিক সংগীত সম্মেলন হয়। তবে ডোভার লেনের মঞ্চ সবার থেকে আলাদা। এবছর আমাকে বিশেষ সম্মান দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’ 

Advertisement


আজকের দিনে ঘরানার গুরুত্ব কতটা রয়েছে? শিল্পীর স্পষ্ট জবাব, ‘শিল্পীর জন্যই ঘরানা বেঁচে রয়েছে। সব ঘরানার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সেখান থেকে সেরা জিনিসটা নিতে হবে।’ সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভারসাম্য বজায় রাখা কতটা জরুরি? যুগের বদল মেনে নিয়েই শিল্পী বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু বদলে যায়। সোশ্যাল মিডিয়া আজকের দিনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নবীন প্রজন্মের শিল্পীরা খুব ভালো কাজ করছেন। তাঁরাই শাস্ত্রীয় সংগীতের এই ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। তাই আরও বেশি করে উৎসাহ দেওয়া উচিত।’ 
গুরু-শিষ্য পরম্পরা সংগীতের অন্যতম অংশ। শিষ্যদের শেখানোর ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করেন? একটু ভেবে অজয়বাবু বলেন, ‘বই দেখে রান্না করলে খাবারের স্বাদ ভালো হতে পারে। কিন্তু সেই রান্নায় নিজস্ব কিছুই থাকে না। সংগীত শিক্ষার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়। শিষ্যদের সামনে শুধু রাগের বিভিন্ন রূপ তুলে ধরি। বাকিটা মন থেকে ভালোবেসে গাইতে হবে। কোনও অহংকার রাখলে চলবে না। ভালো মানুষ হতে হবে। সব ধরনের গানবাজনা শুনতে হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ