কুশিনগর: হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তরপ্রদেশে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল মসজিদ। বেআইনিভাবে তিনতলা এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। যদিও তা মানতে নারাজ মসজিদ কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
কুশিনগর জেলার এই মসজিদ ভেঙে ফেলতে এর আগেও তৎপর হয়েছিল যোগী সরকার। প্রশাসনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল মসজিদ কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে উচ্ছেদ কাজে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। গত ৮ ফেব্রুয়ারি রবিার এই স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হয়। তার পরের দিনই ফের ময়দানে নেমে পড়ে প্রশাসন। কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রবিবার সকাল ১০টা থেকে মদনি মসজিদ ভাঙার কাজ শুরু করে কুশিনগর জেলা প্রশাসন। আনা হয়েছিল বুলডোজার। বিক্ষোভ এড়াতে ওই দিন ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতে বিশাল পুলিস বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন সার্কেল অফিসার, এসডিএম সহ পদস্থ আধিকারিকরা। সিল করে দেওয়া হয় গোটা এলাকা। বিবাদের সূত্রপাত ১৯৯৯ সালে। বেআইনিভাবে মসজিদ নির্মাণের অভিযোগ করেন রাম চরণ সিং নামে স্থানীয় এক নেতা। কিন্তু প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ না করায় বিষয়টি থিতিয়ে গিয়েছিল। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে স্থানীয় পুর কর্তৃপক্ষ তদন্তের উদ্যোগ নিলে ফের জলঘোলা হয়। প্রশাসনের দাবি, নথি চেয়ে মসজিদ কর্তৃপক্ষকে তিন বার নোটিস পাঠানো হলেও কোনও জবাব আসেনি। যার পরিপ্রেক্ষিতে মসজিদটিকে অবৈধ ঘোষণা করে প্রশাসন। যদিও মসজিদ কমিটির প্রধান হাজি হামিদ অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের কাছে সমস্ত নথি রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।



