Bartaman Logo
৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘মৃত্যুর আগে পাথরার জমিদাতাদের টাকা পাইয়ে দিতে চান’, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ইয়াসিন পাঠানের

‘আমার মৃত্যুর আগে পাথরার জমিদাতাদের জমির মূল্য পাইয়ে দিতে চাই। না হলে মরেও শান্তি পাব না!’ রাজ্যের নতুন সরকারের কাছে আবেদন মন্দিরময় পাথরার প্রাণপুরুষ ইয়াসিন পাঠানের।

‘মৃত্যুর আগে পাথরার জমিদাতাদের টাকা পাইয়ে দিতে চান’, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি  ইয়াসিন পাঠানের
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, খড়্গপুর: ‘আমার মৃত্যুর আগে পাথরার জমিদাতাদের জমির মূল্য পাইয়ে দিতে চাই। না হলে মরেও শান্তি পাব না!’ রাজ্যের নতুন সরকারের কাছে আবেদন মন্দিরময় পাথরার প্রাণপুরুষ ইয়াসিন পাঠানের। জমিদাতাদের টাকা পাইয়ে দেওয়ার জন্য স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি লিখেছেন তিনি। ২০০৩ সালের ১৬ জুলাই মেদিনীপুর সদর ব্লকের পাথরার ৩৪টি মন্দির ও মন্দির সংলগ্ন প্রায় ৩০ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করেছিল এএসআই (আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া)। তবে, ২৩ বছর পরেও জমির মূল্য পাননি সেখানকার চাষিরা। বিগত সরকার ও জেলা প্রশাসনের তরফে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষপর্যন্ত কোথাও না কোথাও তা আটকে গিয়েছে। জমিদাতাদের টাকা পাইয়ে দেওয়ার জন্য অশক্ত, অসুস্থ শরীরেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন সত্তরোর্ধ্ব ইয়াসিন সাহেব। বুধবার তিনি বলেন, আমি কিডনি ও হৃদরোগে আক্রান্ত। মৃত্যুর আগে অন্তত দেখে যেতে চাই, জমিদাতারা টাকা পাচ্ছেন। আমার কথাতেই জমি দিতে রাজি হয়েছিলেন কৃষকরা। এই বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি লিখেছেন বলেও জানান তিনি।

Advertisement

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ হয়েও গত ৫৫ বছর ধরে কাঁসাই নদীর তীরে অবস্থিত পাথরার ৩৪টি হিন্দু মন্দির বুক দিয়ে আগলে রেখেছেন ইয়াসিন সাহেব। মন্দির রক্ষার জন্য গড়ে তুলেছিলেন পাথরা পুরাতত্ত্ব সংরক্ষণ কমিটি।  ১৯৯৪ সালে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পেয়েছেন ‘কবীর পুরস্কার’-ও। মেদিনীপুরের বিজেপি বিধায়ক শংকর গুছাইত বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমিও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।  ইয়াসিন পাঠান।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ