বাটুমি: মহিলাদের দাবা বিশ্বকাপ ফাইনালে টক্কর চলছে সেয়ানে সেয়ানে। কোনেরু হাম্পি ও দিব্যা দেশমুখের মধ্যে খেতাবি লড়াইয়ের দ্বিতীয় গেমও ড্র। জর্জিয়ার বাটুমিতে আয়োজিত এই আসরের আকর্ষণ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে দুই ভারতীয় দাবাড়ুর দ্বৈরথ। রবিবার ৩৪ চালের পর সন্ধির পথে হাঁটেন হাম্পি ও দিব্যা। দু’টি গেম ড্র হওয়ায় সোমবার টাই-ব্রেকারে নির্ধারিত হবে চ্যাম্পিয়ন।
আগে কখনও বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠেননি ভারতের কোনও মহিলা দাবাড়ু। এবার হাম্পি-দিব্যা শুধুমাত্র ইতিহাসই গড়েননি, নিশ্চিত করেছেন অল ইন্ডিয়ান ফাইনাল। দু’জনের যেই জিতুক বিশ্বসেরার মসনদে দেখা যাবে এক ভারতীয়কেই। ফাইনালে অভিজ্ঞতার সুবিধা রয়েছে ৩৮ বছরের হাম্পির পক্ষে। তবে পুরো টুর্নামেন্টে স্বপ্নের ফর্ম মেলে ধরা দিব্যা এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ তাঁকে। প্রথম গেমে ১৯ বছর বয়সি নাগপুরের তরুণীর আগ্রাসন সামলাতে বেগ পেতে হয়েছিল হাম্পিকে। এদিন সাদা ঘুঁটিতে খেলেও জয়ের দরজা খুলতে ব্যর্থ দেশের সেরা মহিলা দাবাড়ু। আসলে ফর্মে থাকা দিব্যার বিরুদ্ধে বেশ সতর্ক ছিলেন হাম্পি। স্বদেশীয় জুনিয়র প্রতিপক্ষও আক্রমণের পথে হাঁটেননি। তাই শেষ পর্যন্ত ৩৪ চালের পর ম্যাচ ড্র হয়।
প্রথম দুই গেম ক্লাসিক্যাল ঘরানায় হলেও সোমবার টাই-ব্রেকার হবে র্যাপিড ও ব্লিত্জ ফরম্যাটে। শুরুতে দশ মিনিট করে দু’টি র্যাপিড গেম হবে। প্রত্যেক মুভের পর ১০ সেকেন্ড সময় বাড়বে। সেটাও টাই হলে আরও দু’টি পাঁচ মিনিট করে গেম হবে। সেখানে প্রতিটি চালে তিন সেকেন্ড করে বাড়বে। তাতেও বিজয়ী নির্ধারণ না হলে ৩ মিনিট করে দু’টি ব্লিত্জ গেম খেলবেন দিব্যা-হাম্পি। তাতে চালের সময় বাড়বে ২ সেকেন্ড করে। সেটাও টাই হলে। ৩+২ ফরম্যাটে ব্লিত্জ চলতে থাকবে, যতক্ষণ না চ্যাম্পিয়ন নির্ধারিত হয়।