সংবাদদাতা, কান্দি: প্রায় এক কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত হতে চলা বাস টার্মিনাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু। আগামী চার মাসের মধ্যে কাজ শেষের ইঙ্গিত দিলেন জঙ্গিপুর সাংসদ। খড়গ্রাম ব্লকের নগর জোকাসাঁকোর পাশে তৈরি হচ্ছে ওই বাস টার্মিনাস। এর কাজ শেষ হলে সেখান থেকে যাত্রীরা উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বহু সরকারি বেসরকারি বাস ধরতে পারবেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দেড় বছর আগে জঙ্গিপুর সাংসদ খলিলুর রহমানের সাংসদ তহবিলে ওই বাস টার্মিনাসের কাজ শুরু হয়। এর জন্য প্রথম পর্যায়ে বরাদ্দ হয়েছিল প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা। প্রথম পর্যায়ে জায়গাটি মাটি ভরাট সহ বাস দাঁড়ানোর শেড তৈরি করা হয়েছিল। এরপর দ্বিতীয় ফেজের জন্য বরাদ্দ হয়েছে আরোও প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। দ্বিতীয় পর্যায়ে টিকিট কাউন্টার, ইলেট্রিফিকেশন, পানীয় জলের ব্যবস্থা সহ যাত্রী প্রতিক্ষালয় তৈরি হবে। সম্প্রতি দ্বিতীয় ফেজের কাজ শুরু হয়েছে। আর দ্বিতীয় ফেজের কাজ শেষ হলে এটির জন্য উদ্বোধন করা হবে।
ফরাক্কা হলদিয়া বাদশাহী সড়কের যে জায়গায় বাস টার্মিনাস হচ্ছে সেটি অতি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বলে চিহ্নিত। এখান থেকে সামান্য দূরে রয়েছে বীরভূমের রামপুরহাট, তারাপীঠ। আবার বাদশাহী সড়কের পাশে হওয়ায় যাত্রীরা সরাসরি এখান থেকে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিনবঙ্গ যাওয়ার প্রচুর বাস ধরতে পারবেন।
স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ চৌধুরী, সামিউল ইলসাম প্রমুখ জানান, তাঁদের বাস টার্মিনাসের দাবি বহু বছরের। এরপর এমন একটি জায়গায় এটি করা হচ্ছে যেখানে অনেকের কর্মসংস্থানও হতে পারে। ইতি মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকায় জমির দর চারগুন বেড়ে গিয়েছে। প্রাক্তন খড়গ্রাম বিধায়ক আশিষ মার্জিত বলেন, প্রকল্প শুরুর আগে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে আলোচনা করেই বাস টার্মিনাসের স্থান নির্বাচন করা হয়েছিল। বাস টার্মিনাসের কাজ শুরুর পরেই ওই এলাকার জমিগুলি চড়া দরে বিক্রি হতে শুরু করেছিল। স্থানীয়রা ব্যবসার জন্য ওই এলাকাকে বেছে নিয়েছেন।
এবিষয়ে জঙ্গিপুর সাংসদের এমপি ল্যাড খড়গ্রাম ব্লক চেয়ারম্যান জ্যোতির্ময় মণ্ডল বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের কারণে কিছুদিনের জন্য কাজ স্থগিত ছিল। তাই দ্বিতীয় ফেজের কাজ শুরু হয়েছে প্রায় ১০দিন হল। এনিয়ে জঙ্গিপুর সাংসদ খলিলুর রহমান জানান, আগামী চারমাসের মধ্যেই বাস টার্মিনাসের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা যায়। -নিজস্ব চিত্র