কাজ থমকে, এখনও পানীয় জল পাননি কুমারগঞ্জের ৪৫ হাজার পরিবার
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে কুমারগঞ্জ ব্লকে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের পক্ষ থেকে ২১৫ কোটি টাকার পানীয় জলের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই পানীয় জলের প্রকল্প এখন জলের তলায়। দীর্ঘ দিন ধরেই ওই প্রকল্পের কাজ থমকে গিয়েছে। কুমারগঞ্জের ধাধলপাড়া ও শাহাজাদপুরে দু’টি জল উত্তোলন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। নদীর মাঝে ওই কাজ শুরু হলেও সেই কাজ অর্ধেক হয়ে বর্তমানে থমকে রয়েছে। সূত্রের খবর, ফান্ডের অভাবে ওই কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে। তবে দপ্তরের দাবি, রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার থেকে ফান্ডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পুজোর পর ফান্ড মিললে সেই কাজ নতুন করে শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ফান্ডের অভাবে ওই কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে। রাজ্য থেকে ফান্ড এলে পুনরায় ওই কাজ চালু হবে। সম্ভবত কালীপুজোর পর ওই কাজ চালু হবে। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পানীয় জলের ওই প্রকল্প হয়ে গেলে কুমারগঞ্জের ৪৫ হাজার বাড়িতে জল পৌঁছে যাবে। পানীয় জলের প্রকল্পের জন্য গোটা কুমারগঞ্জ ব্লকের ৮টি পঞ্চায়েতকে ১৬টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। তার মধ্যে অনেক জোনে পাইপলাইনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। সেই কাজ বন্ধ রয়েছে। নদী থেকে জল তুলে একটি নির্দিষ্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর জল শোধন করে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে। তাই ধাধলপাড়া ও শাহাজাদপুর দুই জায়গায় জল উত্তোলন কেন্দ্র ও ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের কাজ শুরু হয়েছে। মূলত, নদীর তলদেশ থেকে এই জল তুলে তা বাড়ি বাড়ি দেওয়া হবে। এদিকে, কুমারগঞ্জ ব্লকে বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব রয়েছে। ওই ব্লকে ইতিমধ্যেই ভূ-গর্ভস্থ জলে আর্সেনিকের মাত্রা বেশি রয়েছে। তাই তড়িঘড়ি ওই প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। বছর দুয়েক আগে কুমারগঞ্জের ওই পানীয় জল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। পরিবারগুলিতে জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য নানা জায়গায় ট্যাঙ্ক বসানোর কথা। কিন্তু এখনও সে সবের কিছুই হয়নি। বাসিন্দারা চাইছেন দ্রুত ওই কাজ চালু হোক।
কুমারগঞ্জ ব্লকের গোপালগঞ্জের বাসিন্দা সোহন রাজ দাস বলেন, আমাদের ব্লকে জলে আর্সেনিক রয়েছে। তাই জল প্রকল্প চালু হলে সুবিধা হবে। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে ওই কাজ চলছে। আমরা বিশুদ্ধ জল চাই। এই জল পেলে আমাদের এলাকার অনেক সুবিধা হবে।